Bangladeshi Hindu Murder: ইউনুসের বিদায়কালেও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন, মাথায় কুড়োলের আঘাত, খুন হিন্দু ব্যক্তি
রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধা উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় এলাকায়। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত অমিতাভ চন্দ্র সুজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী ছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের গাইবান্ধায় নিজের বাড়িতেই কুপিয়ে খুন করা হল এক হিন্দু ব্যক্তিকে। নিহতের নাম অমিতাভ চন্দ্র সুজনকে, তাঁর বয়স ৪০ বছর। রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধা উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় এলাকায়। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত অমিতাভ চন্দ্র সুজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী ছিলেন তিনি।
নিহত অমিতাভ চন্দ্র সুজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।
জানা গিয়েছে, মা–বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন অমিতভ। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা নাগাদ তিনি বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় দুষ্কৃতীরা এসে তাঁকে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে যায়। মাথায় কুড়োল দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালের পথেই নাকি তিনি মারা যান। হাসাতালে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। খুনে ব্যবহৃত কুড়োলটি ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার নেপথ্যে জমি নিয়ে বিবাদের কারণ থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে খুনের আসল কারণ খুঁজে বের করতে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তদন্ত জারি রেখেছে। মৃতের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জে জয় মহাপাত্র, নওগাঁয় মিঠুন সরকার, ফেনিতে সমীর কুমার দাসরা প্রাণ হারিয়েছেন। এসব হামলায় নিহতরা তাঁদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ। গাইবান্ধার এই ঘটনা সেই ধরনেরই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তা বলাই বাহুল্য।