Bangladeshi Inquilab Mancha: '২৬ লাখ অবৈধ ভারতীয়কে বাংলাদেশ থেকে বের করতে হবে', যুক্তির নেই বালাই, তবু দফার নেই কো শেষ!

Bangladeshi Inquilab Mancha: ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লা আল জাবের দাবি করেন, সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হত্যা করা যাবে না, ভারতের ২৬ লাখ নাগরিক নাকি অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে আছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাকি এখনও নাক গলাচ্ছে ভারত।

Published on: May 11, 2026 7:25 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bangladeshi Inquilab Mancha: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে গেল গেল রব। সেই দেশের সংবাদমাধ্যমে মিথ্যাচার চলছে এপারের সংখ্যালঘুদের নিয়ে। এই আবহে ভারত বিরোধিতার সুর চড়াতে ফের পথে নেমেছে নিহত ওসমান হাদির দল 'ইনকিলাব মঞ্চ'। ভারতের বিরুদ্ধে সাত দফার দাবিতে তারা ১০ মে একটি সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লা আল জাবের দাবি করেন, সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হত্যা করা যাবে না, ভারতের ২৬ লাখ নাগরিক নাকি অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে আছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাকি এখনও নাক গলাচ্ছে ভারত।

ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লা আল জাবের দাবি করেন, সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হত্যা করা যাবে না। (ছবিটি প্রতীকী)
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লা আল জাবের দাবি করেন, সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হত্যা করা যাবে না। (ছবিটি প্রতীকী)

জাবের বলেন, 'বিএসএফ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে সীমান্তে। ২০০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বাংলাদেশিকে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে। ভারতের এই আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। ভারত সরকার কোনও আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করেই বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে।' তবে জাবের এটা বলতে ভুলে গেছেন, বাংলাদেশিরা ক্রমাগত অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করছে ভারতে। সীমান্তে পাচার জারি রেখেছে তারা। বিজিবি এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার ঠেকাতে ব্যর্থ। এদিকে বাংলাদেশি পাচারকারীরা অস্ত্র নিয়ে সীমান্তে কার্যকলাপ চালায়। এই আবহে তাদের ওপর গুলি চালানো ছাড়া বিএসএফের কাছে আর কী উপায় থাকে?

এরই সঙ্গে জাবেরের আজব দাবি, 'ভারত শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার সামরিক সক্ষমতা কতটুকু বাড়াবে, তা ভারত নির্ধারণ করে দিচ্ছে।' বাংলাদেশ এর আগে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং চিনের থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে, কোনও ক্ষেত্রে ভারত বাধা সৃষ্টি করেছে বলে বাংলাদেশেরও কোনও রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেনি। এই আবহে জাবের এই মনগড়া কাহিনী কোথা থেকে এবং কীভাবে তৈরি করেছেন, তা জানাননি।

এই আবহে ইনকিলাব মঞ্চের এই 'বিপ্লবীর' দাবি, ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে হবে সরকারকে; ভারতকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রসংঘ ও ওআইসিতে নালিশ করতে হবে; সীমান্তে প্রতিটি হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে; বিএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে; সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আদানিসহ সব ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা স্থগিত রাখতে হবে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More