Bangladeshi Muhammad Yunus Latest Update: গদি যেতেই মাথায় বাড়ি ইউনুসের, নোবেলজয়ীর বিরুদ্ধে ৪ মামলার ঘোষণা বাংলাদেশে

আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস যেসব চুক্তি করেছেন, তা চ্যালেঞ্জ করে মামলা করার কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। এছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার মতো অভিযোগেও ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে দাবি করেছেন তিনি। 

Published on: Feb 25, 2026 12:48 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ক্ষমতা ভোগ করার পরে এবার মাথায় হাত পড়তে পারে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে চারটি অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করার ঘোষণা করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লেখেন, 'ইউনুস অ্যান্ড গংদের বিচার হওয়া উচিত কয়েকটি কারণে। একটি সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা। এবং আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস যেসব চুক্তি করেছে সেসব চ্যালেঞ্জ করে আরেকটি মামলা করা যেতে পারে।'

(FILES) Muhammad Yunus, Nobel laureate and chief adviser of Bangladesh's new interim government greets the public after laying a wreath at the National Martyrs' Memorial in Dhaka on August 9, 2024. Bangladesh's interim leader Muhammad Yunus stepped down on February 16, 2026 in a farewell broadcast to the nation before handing over to an elected government. (Photo by Indranil MUKHERJEE / AFP) (AFP)
(FILES) Muhammad Yunus, Nobel laureate and chief adviser of Bangladesh's new interim government greets the public after laying a wreath at the National Martyrs' Memorial in Dhaka on August 9, 2024. Bangladesh's interim leader Muhammad Yunus stepped down on February 16, 2026 in a farewell broadcast to the nation before handing over to an elected government. (Photo by Indranil MUKHERJEE / AFP) (AFP)

এরপর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সেই অধ্যাপক আরও লেখেন, 'আমি আরও একটি মামলা করব, সেটা হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর নিয়ে। সেখানে যে দুষ্প্রাপ্য ডকুমেন্ট ছিল, যেসমস্ত অ্যাভিডেন্স ছিল, সেটা দেশি বিদেশি কার ইন্ধনে বারবার ভাঙা হল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কারা ভেতর থেকে এটা হতে দিলেন। সেখানে পুলিশ সেনাবাহিনী কেন গেল না। সেটা নিয়ে একটা মামলা করব। গত ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যা অস্বাভাবিক বিষয়। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২টি অধ্যাদেশই অনিশ্চয়তার মধ্যে।'

এদিকে ২০২৪ সালের তথাকথিক গণঅভ্যুত্থানের সময় বহু পুলিশকে খুন করা হয়। মোট ৪৪ জন পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছিলেন তথাকথিত জুলাই বিপ্লবীদের হাতে। তবে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই দেশের পুলিশের একটি বড় অংশ দাবি করছে, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসব ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহে দাবি করা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে ‘সবুজ সংকেত’ মিলেছে তারেকের সরকারের তরফ থেকে। জানা গিয়েছে, বিগত দেড় বছরে তদন্ত না এগোলেও হামলার আগে ও পরের ভিডিও ফুটেজ, সিসিটিভি রেকর্ড এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল।