Bangladesh Threat against Indian High Commission: গভীর রাতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন 'বন্ধের ঘোষণা' কট্টরপন্থী সারজিস আলমের
সারজিস আলম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লেখেন, 'হাদি ভাইয়ের খুনিদের যতক্ষণ পর্যন্ত না ভারত ফিরিয়ে দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন বন্ধ থাকবে।'
কট্টরপন্থী বাংলাদেশি নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাইকমিশন 'বন্ধ করার ঘোষণা' করলেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম। হাসিনা বিরোধী 'জুলাই বিপ্লবের' পর গঠিত এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস। এহেন সারজিস গভীর রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লেখেন, 'হাদি ভাইয়ের খুনিদের যতক্ষণ পর্যন্ত না ভারত ফিরিয়ে দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন বন্ধ থাকবে।'

উল্লেখ্য, ওসমান হাদিকে গুলি করা হয় গত ১২ ডিসেম্বর। এই হামলার ঘটনায় ভারতের 'র'-এর দিকে আঙুল তুলেছেন হাদির বোন মাহফুজা। এদিকে বাংলাদেশে দাবি করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম না আওয়ী লীগের প্রাক্তন নেতা। এদিকে কায়সার ভারতে পালিয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছে। যদিও বাংলাদেশের অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে, কায়সার নাকি দুবাইতে আছেন বর্তমানে। তবে হাদির ওপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ভারতের হাইকমিশনে হামলার চেষ্টা পর্যন্ত করেন কট্টরপন্থীরা। উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন হাসনাত আবদুল্লাহর মতো 'জুলাই বিপ্লবী নেতা'।
এদিকে ১৮ ডিসেম্বর রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন উদ্দেশে 'লং মার্চ' করে 'ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী জুলাই ৩৬ মঞ্চ'। এই সংগঠনের মিছিল অবশ্য আটকে দেয় পুলিশ। ভারতীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশন থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো হয় এই কট্টরপন্থী 'ভারত বিরোধীদের'। তবে সেই ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশি কট্টরপন্থীরা। এই আবহে ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজশাহীতে। এদিকে বাংলাদেশি 'বিপ্লবী নেতারা' ভারতীয় হাইকমিশনে হামলার হুমকি দিয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনারকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই সবের মাঝে গত ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করা হয়েছিল দিল্লির বিদেশ মন্ত্রকের দফতরে। তবে তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতার সুর ক্রমেই চড়ছে।
এদিকে মৃত হাদি কট্টর ভারত বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হাসিনার বিদায়ের পর একাধিক জনসভায় তিনি স্লোগান তুলতেন - 'দিল্লি না ঢাকা...'। গত ১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই ওসমান ভারতের বিকৃত একটি মানচিত্র পোস্ট করেছিলেন ফেসবুকে। একটি আলোচনা সভার সেই পোস্টে ভারতের থেকে পঞ্জাব, লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন দেখানো হয়েছিল। সেগুলিকে পাকিস্তানের এলাকা হিসেবে দেখানো হয় মানচিত্রে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহারের অধিকাংশ এলাকা, গোটা ঝাড়খণ্ড, উত্তরপূর্ব ভারত এবং মায়ানমারের আরাকান প্রদেশের উপকূলীয় এলাকাটিকে 'বৃহত্তর বাংলাদেশ'-এর অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। এর আগে এই হাদি ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে হামলাতেও অংশগ্রহণ করেছিল। বিভিন্ন সময় ভারত বিরোধী উস্কানিমূলক মন্তব্যও দিত এই হাদি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


