Bangladeshis on WB Election: 'ভারতের মুসলমানরা স্বাধীনতা ঘোষণা করবে, আমরা বাংলাদেশ থেকে যুদ্ধ করতে যাব'
শুক্রবারের জুম্মার নমাজের পরে বিজেপি বিরোধী একটি জমায়েত থেকে এই মন্তব্য করেন এক জনৈক বাংলাদেশি। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোট ইস্যুতে অপর একটি বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর থেকেই ওপার বাংলায় মৌলবাদীদের একটা অংশ রাস্তায় নেমে আলটপকা মন্তব্য করতে শুরু করেছে। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। এমনই একটি ভিডিয়োতে এক মৌলবাদী বাংলাদেশিকে বলতে শোনা যায় 'ভারতের মুসলমানরা স্বাধীনতা ঘোষণা করবে এবং বাংলাদেশ থেকে আমরা সেই যুদ্ধে শামিল হব।' এই উস্কানিমূলক বক্তব্যের ভিডিয়ো বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবারের জুম্মার নমাজের পরে বিজেপি বিরোধী একটি জমায়েত থেকে এই মন্তব্য করেন এক জনৈক বাংলাদেশি। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোট ইস্যুতে অপর একটি বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে।

একটি ভাইরাল ভিডিয়োতে এক মৌলবাদী বাংলাদেশিকে বলতে শোনা যায়, 'আর যদি কখনও ভারতে মুসলিমদের ওপর অন্যায় অত্যাচার হয়, মসজিদে (ভুল করে মন্দির বলে ফেলেছিলেন আগে) যদি আগুন জ্বালানো হয়, ভাঙচুর করা হয়, তাহলে তা বরদাস্ত করা হবে। মোদীকে বলতে চাই, আপনার ওই কুলাঙ্গার বেয়াদপকে থামান, নয়ত আমরা বাংলাদেশ থেতে যেতে বাধ্য হব। ওই ভারতবর্ষে যে মুসলিম অঞ্চলগুলি আছে, সেখানে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করবে, আমরাও সেই যুদ্ধে শামিল হব ইনশাআল্লাহ।'
এদিকে টিএসসির এক সমাবেশে এক ছাত্রনেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে বিজয়ী দাবি করেন। বস্তুত তারা কিন্তু বিজয়ী নন। তারা ভোটার তালিকা থেকে নাগরিকদের নাম বাদ দিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের ভোটের পার্থক্য সেই বাদ পড়া ভোটারের থেকে কম। যদি ভোটাররা বাদ না পড়ত, তাহলে দেখা যেত, বিজেপি কখনও পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে পারত না।' এদিকে সেই সমাবেশ থেকেই ভারতকে কোণঠাসা করতে সার্ক, ওআইসি এবং রাষ্ট্রসংঘে নালিশ করার কথা বলা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


