Bay of Bengal NOTAM for Missile Launch: বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি ভারতের, তোড়জোড় মিসাইল লঞ্চের?

এই নোটাম জারি করা হয়েছে ৫০০ কিমি দীর্ঘ এলাকা জুড়ে। বিশাখাপত্তপনমের থেকে এই নোটাম জারি করা হয়েছে। এই আবহে অনুমান করা হচ্ছে, নৌসেনার কোনও মিসাইল লঞ্চের পরীক্ষা করা হতে পারে।

Published on: Jan 07, 2026 12:00 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি করা হল আগামী ১২ এবং ১৩ জানুয়ারির সময়কালে। ১২ তারিখ ভোররাত ২টো থেকে ১৩ তারিখ সকাল ৯টা পর্যন্ত এই নোটাম জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই সময়কালে ওই নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে বিমান চলাচলে নিষিদেধাজ্ঞা জারি করাহ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই নোটাম জারি করা হয়েছে ৫০০ কিমি দীর্ঘ এলাকা জুড়ে। বিশাখাপত্তপনমের থেকে এই নোটাম জারি করা হয়েছে। এই আবহে অনুমান করা হচ্ছে, নৌসেনার কোনও মিসাইল লঞ্চের পরীক্ষা করা হতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি করা হল আগামী ১২ এবং ১৩ জানুয়ারির সময়কালে। (AP)
বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি করা হল আগামী ১২ এবং ১৩ জানুয়ারির সময়কালে। (AP)

এর আগে ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে বঙ্গোপসাগরে পিনাকা দূরপাল্লার মিসাইলের সফল পরীক্ষা করা হয় ২৯ ডিসেম্বর। তার আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করে ভারত। জানা গিয়েছে কালাম ৪ সিরিজের পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালায় ডিআরডিও। সেই মিসাইলের রেঞ্জ প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার।

অপরদিকে পাকিস্তান আবার উত্তর আরব সাগরে নোটাম জারি করেছে আগামী ৮ এবং ৯ জানুয়ারির জন্য। সেখানে পাক নৌবাহিনী ফায়ারিং অনুশীলন করবে। ৮ তারিখ ভোররাত ৩টে থেকে শুরু করে ৯ তারিখ দুপুর ১টা পর্যন্ত এই নোটাম জারি থাকবে। এর জেরে সেই এলাকা দিয়ে উড়ে যাওয়া কমার্শিয়াল ফ্লাইট পরিষেবা ব্যহত হবে। উল্লেখ্য, যে এলাকায় পাকিস্তান নোটাম জারি করেছে, তা করাচির থেকে পশ্চিম, দক্ষিণপশ্চিমে। করাচি থেকে উড়ে যাওয়া পশ্চিম এশিয়ার উড়ানগুলির অধিকাংশ নোটাম জারি থাকা এলাকা দিয়েই উড়ে যায়। তবে এবার তাদের ঘুরে যেতে হবে।

এদিকে সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার কাছে হলদিয়ায় ঘাঁটি তৈরিতে তৎপর হয়েছে নৌসেনা। ইতিমধ্যেই সেই ঘাঁটি তৈরির জন্য অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী এখানে মোতায়েন থাকবে। এদিকে সবমিলিয়ে ১০০ জনের মত নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের পরে গতবছর প্রথমবারের মত বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছায় পাকিস্তানি রণতরী। পাক নৌসেনা প্রধান ছিলেন সেই জাহাজে। এই আবহে বাংলাদেশের পাক প্রীতির মাঝেই হলদিয়ার নৌঘাঁটি স্থাপনের তোড়জোড়।