Adidas Layoff: পুজোর আগে গুরুগ্রামে ‘অ্যাডিডাস'-এর ইন্ডিয়া টেক হাব থেকে ব্যাপক হারে ছাঁটাই! সংস্থা কী বলছে?
বড়সড় ছাঁটাইয়ের পথে অ্যাডিডাস।
সামনে উৎসবের মরশুম। তার আগে, গুরুগ্রামে অ্যাডিডাসের ইন্ডিয়া টেক হাব থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মশক্তি ছাঁটাইয়ের খবর উঠে এল। এর জেরে সংস্থার প্রযুক্তিগত সেক্টরে কর্মীদের ওপর প্রভাব পড়বে বলে খবর। মনে করা হচ্ছে, সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ডেটা সায়ান্টিস্ট, ডেটা ইঞ্জিনিয়াররা এই ছাঁটায়ের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

অ্যাডিডাস নিশ্চিত করেছে যে তারা ভারতে তাদের প্রযুক্তি বিভাগের কর্মী সংখ্যা কমাচ্ছে, তবে কতজন কর্মী এর ফলে প্রভাবিত হচ্ছেন, তা সংস্থা প্রকাশ করেনি। ‘ওকাল্ট’ (Wocult)-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে অ্যাডিডাস জানিয়েছে যে, তারা ভারতে তাদের প্রযুক্তি বিভাগের বেশ কিছু পদ কমিয়ে ফেলার এক ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে। সংস্থা বলছে, ব্যবসার পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার চলমান প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, অক্টোবরে রয়েছে দুর্গাপুজো। ওই সময়ই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নবরাত্রি উৎসবে মেতে ওঠেন মানুষ। তারপরই রয়েছে দীপাবলি ও কালীপুজো। মূলত, এই অক্টোবর থেকেই ভারতের নানান প্রান্তে উৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ে। আর তার আগে, গুরুগ্রামে অ্যাডিডাস-র ইন্ডিয়া হাব-এ বিপুল পরিমাণে ছাঁটাইয়ের ঘটনা নিঃসন্দেহে উদ্বেগের খবর।
সংস্থার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অ্যাডিডাসের প্রতি আমাদের সহকর্মীদের নানাবিধ অবদানের জন্য আমরা তাঁদের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এই সময়ে যেসব সহকর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাঁদের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থা আরও জানিয়েছে যে এই পরিবর্তনগুলির লক্ষ্য হল, প্রতিষ্ঠানের কিছু অংশকে সহজতর করা, গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা জোরদার করা এবং ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিগত পরিবেশের বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য অ্যাডিডাসকে উপযুক্ত অবস্থানে নিয়ে আসা। গুড়গাঁওয়ে অবস্থিত অ্যাডিডাসের ‘ইন্ডিয়া টেক হাব’-এর প্রায় ৭০০ কর্মীর মধ্যে আনুমানিক ৩৫০ বা তারও বেশি কর্মী এই ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়বেন বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এক ‘টাউন হল’ সভায় কর্মীদের ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানানো হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু কর্মী ওই দিনই চাকরি থেকে অব্যাহতির চিঠি পেয়েছেন, আর অন্য একটি দলকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংস্থায় কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


