Spy Turtle in China water:চিনের জলে 'স্পাই'-মাছ, গুপ্তচরবৃত্তিতে কচ্ছপ!বিদেশি ‘ইন্টেল’এজেন্সি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বেজিং-র

Turtle and Fish Spy claimed by China:চিনের দাবি, মাছ ও কচ্ছপের মতো প্রাণীকে ব্যবহার করে বিদেশি গুপ্তচর এজেন্সিগুলি গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে চিনের জলসীমার ভিতর। ঘটনাকে বেজিং, ‘ অদৃশ্য গোপন যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিচ্ছে।

Published on: Jun 13, 2026, 16:32:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কিছু মাস আগেই এক খবরে জানা গিয়েছিল, আরশোলাদের গুপ্তচরবাহিনী তৈরিতে জোরকদমে লেগে পড়েছে ইউরোপিয় দেশ জার্মানি। সেই চর্চার রেশ কাটতে না কাটতেই চিন এক বিস্ফোরক দাবি করেছে গুপ্তচরবৃত্তিতে সামুদ্রিক প্রাণি ব্যবহার প্রসঙ্গে। চিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দাবি করছে, বিদেশি গুপ্তচর এজেন্সিগুলি, সামুদ্রিক প্রাণী ব্যবহার করে তাদের গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে চিনের জলসীমায়।

চিনের জলে 'স্পাই'-মাছ, গুপ্তচরবৃত্তিতে কচ্ছপ!বিদেশি ‘ইন্টেল’এজেন্সি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বেজিং-র
চিনের জলে 'স্পাই'-মাছ, গুপ্তচরবৃত্তিতে কচ্ছপ!বিদেশি ‘ইন্টেল’এজেন্সি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বেজিং-র

চিনের দাবি, মাছ ও কচ্ছপের মতো প্রাণীকে ব্যবহার করে বিদেশি গুপ্তচর এজেন্সিগুলি গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে চিনের জলসীমার ভিতর। ঘটনাকে বেজিং, ‘ অদৃশ্য গোপন যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম উইচ্যাটে সদ্য বেজিংর তরফে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আকারে বড় এমন কিছু সামুদ্রিক প্রাণী উদ্ধার হয়েছে, যাদের গায়ে সেন্সর লাগানো রয়েছে, আর তারা চিনের জলসীমায় সাঁতার কাটছিল। চিন বলছে, এই ধরনের প্রাণীদের দিয়ে সমুদ্রের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, সমুদ্রে থাকা ওয়াটার কারেন্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে। আর সেই তথ্য স্যাটেলাইট মাধ্যমে পাচার হচ্ছে বলে চিনের সরকার দাবি করছে। তবে, চিনের জলাসীমার কোন জায়গায় এমন প্রাণী মিলেছে বা কোন দেশের বিরুদ্ধে চিনের এই বিস্ফোরক অভিযোগ, তা নিয়ে মুখ খোলেনি বেজিং।

চিনের দাবি, সেদেশের নৌবাহিনী নিয়ে তথ্য এককাট্টা করতে বিদেশি গুপ্তচর এজেন্সিগুলি বহু বছর ধর চেষ্টা করছে। চিন তুলে ধরছে সামুদ্রিক গুপ্তচরের আনাগোনার কথা। তারা জলের তলার 'সেন্ট্রি' হিসাবে কাজ করে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য বা ভেসেল নিয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করে যাচ্ছে। চিনের দাবি, চিনের জলের মানচিত্র নিতে, সেদেশের উপকূলের তেল ও গ্যাস ভান্ডারের পরিমাণের বিষয়ে জানতে, চেষ্টা চালানো হচ্ছে বিদেশের গুপ্তচর এজেন্সির দ্বারা। এছাড়াও, গুপ্তচরবৃত্তির কীর্তিকাণ্ড বোঝাতে জলের তলার লাইটহাউসের কথাও উল্লেখ করছে চিন। যার দ্বারা বিদেশি সাবমেরিনের চিনের জলসীমায় নিঃসাড়ে ঢুকতে সুবিধা হতে পারে।

এছাড়াও বলা হচ্ছে, এমন কিছু সামুদ্রিক সাংকেতিক চিহ্ন চিন পেয়েছে, যা বিদেশি সামুদ্রিক গবেষণাধর্মী ইনস্টিটিউটগুলি ছড়িয়ে রেখেছে। বেজিংর দাবি এগুলির দ্বারা চিনের সাবমেরিন সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও বেজিং বলছে, তারা এমন এক ওয়েভ-গ্লইডারের খবর পয়েছে, যার দ্বারা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত সামুদ্রিক পরিবেশ ও ভেসেলের গতিবিধি সম্পর্কিত তথ্য পাঠানো যায়।

তবে এই প্রথমবার নয়। চিন এর আগেও, দাবি করেছে তাদের জলের সীমানায় গুপ্তচরবৃত্তি হচ্ছে। তারা দক্ষিণ চিন সাগর, পূর্ব চিন সাগর, তাইওয়ান প্রণালী নিয়েও এমন দাবি করে আসছে।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More