অস্বাভাবিক যৌনচার, বান্ধবীর সঙ্গে...! স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বেঙ্গালুরুর যুবক

ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Published on: Apr 01, 2026 9:57 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বেঙ্গালুরুতে সাংঘাতিক-কাণ্ড! স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌন ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক যুবক। ৩৭ বছরের ওই ব্যক্তির আরও অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ক্রমাগত হস্তক্ষেপ করছে, যার ফলে তাঁদের মধ্যে প্রায়শই অশান্তি হচ্ছে।

স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বেঙ্গালুরুর যুবক
স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বেঙ্গালুরুর যুবক

এফআইআর অনুসারে, ওই যুবক নাগরভাবীর বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুতে ৩১ বছরের শিল্পাকে বিয়ে করেন এবং পরে জাক্কুরুর একটি ভিলায় থাকতে শুরু করতেন। অভিযোগে তিনি বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী তাঁর ওপর ‘যৌন নির্যাতন’ করতেন। স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক যৌনচারের পাশাপাশি এক বান্ধবীর সঙ্গে শুতে বাধ্য করার মতো একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ওই যুবক। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর স্ত্রী তাকে প্রায়শই মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও পাঠাতেন এবং সেসব কাজ অনুকরণ করতে বাধ্য করতেন। তিনি এও দাবি করেন যে, তাঁর স্ত্রী তাদের দাম্পত্য জীবনের গোপন কথা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য জোর করতেন, যা তাঁর কাছে চরম মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠছিল।

ওই যুবক অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর স্ত্রী অতীত ও বর্তমানে একাধিক সম্পর্কে থাকার কথা খোলাখুলি স্বীকার করেছেন এবং তাকে বলেছেন যে তার জীবনযাত্রার খরচ বহন করার জন্য তার আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট নয়। পাশাপাশি, তাঁর স্ত্রী নিয়মিত মদ্যপান করেন এবং বন্ধুদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। এই বিষয়ে তাঁর কোনও আপত্তি শোনেননি স্ত্রী। ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ নথিভুক্ত এফআইআর অনুসারে, এই অপরাধগুলো ২০২২ সালের ৪ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত হয়েছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, দাম্পত্য কোলাহল নিরসনের চেষ্টায় ৪ জুলাই, ২০২৪ তারিখে একটি পারিবারিক মধ্যস্থতা করা হয়, কিন্তু এরপরও তাঁর ওপর নির্যাতন অব্যাহত ছিল। ওই যুবক তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তারা তার বিয়েতে হস্তক্ষেপ করেছে, তাঁকে ক্রমাগত হুমকি দিত এবং শেষে মিথ্যা অজুহাতে জাক্কুরের তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছে। এমনকী তাঁর জিনিসপত্র পর্যন্ত নিতে দেওয়া হয়নি এবং বাড়ি খালি করার জন্য তাকে ভুল বোঝানো হয়েছিল।

এছাড়াও, অভিযোগকারী জানান, তিনি তাঁর ও পরিবারের বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ এবং সোনার গয়না তাঁর স্ত্রীর কাছে গচ্ছিত রেখেছিলেন, যা ফেরত পাননি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর পাসপোর্ট এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, ব্যক্তিগত নথি ওই বাড়িতেই রয়ে গিয়েছে। ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর একাধিক ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যায়ভাবে আটক রাখা- অন্যান্য অপরাধ সম্পর্কিত ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।