Bihar MLC Poll Result: রুদ্ধশ্বাস শেষ রাউন্ডের র গণনা! বাংলার পড়শি রাজ্যে BJPর পোক্ত গড় নিমেষে ছিনিয়ে নিল RJD
বিহারে বিধান পরিষদের ভোটে দারভাঙা কেন্দ্রে বিজেপির নেতা সরবেশ কুমার ছিলেন এমএলসি। তাঁকে সদ্য হওয়া ভোটে হারিয়ে বিজেপির পোক্ত গড় দখল করে নেয় আরজেডির অনিল কুমার ঝা।
বিধান পরিষদের ভোটে, বাংলার পড়শি রাজ্য বিহারের দারভাঙায় রুদ্ধশ্বাস শেষ রাউন্ডের গণনায় কার্যত বিজেপিকে মাত দিয়ে এগিয়ে যায় আরজেডি। বিজেপির শাসনাধীন বিহারে লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডির দারভাঙা বিধান পরিষদের জয় কার্যত তাৎপর্যবাহী বলে মনে করা হচ্ছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে।

বিহারে বিধান পরিষদের ভোটে দারভাঙা কেন্দ্রে বিজেপির নেতা সরবেশ কুমার ছিলেন এমএলসি। তাঁকে সদ্য হওয়া ভোটে হারিয়ে বিজেপির পোক্ত গড় দখল করে নেয় আরজেডির অনিল কুমার ঝা। এই ভোটপর্বের গণনা ছিল রুদ্ধশ্বাস। মোট ৬০ ঘণ্টা ধরে চলেছে গণনা। আর গণনার ঠিক শেষ রাউন্ডে রুদ্ধশ্বাস পর্যায়ে গিয়ে ভোট যুদ্ধ জিতে নেয় আরজেডি। এই হার, বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা। গণনার প্রথমের দিকে রাউন্ডে বিজেপি হেলায় সকলকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছিল। তবে, গণনার শেষ রাউন্ডে খেলা ঘোরায় আরজেডি।
৩৮ জন প্রার্থী বাদ পড়ার পর ৩৯তম রাউন্ড শেষে ঝা ৫৩৩ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত ঘোষিত হন। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪০ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন এবং ২৩শে অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গণনার প্রাথমিক পর্যায়গুলোতে বিজেপির সর্বেশ কুমার নিজের অগ্রগমন বজায় রেখে আরজেডি প্রার্থীকে পেছনে ফেলে দেন। ৩৯তম রাউন্ডে মোড় ঘুরে যায় যখন তৃতীয় শীর্ষস্থানীয় প্রার্থী হিসেবে উঠে আসা জন সুরাজ পার্টির মহম্মদ ইমতিয়াজ নুরানি বাদ পড়েন। ৩৮তম রাউন্ডের শেষ পর্যন্ত কুমার ঝা-এর ১৯,০২৯ ভোটের বিপরীতে ২০,০৩৩ ভোট পেয়ে ১,০০৪ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। তবে, পছন্দের ভোট স্থানান্তর হওয়ায় সমীকরণটি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।নিউজ ১৮র রিপোর্ট অনুযায়ী, নুরানির সমর্থকদের ২,৯০০ স্থানান্তরযোগ্য ভোট ঝা-এর পক্ষে যায়, অন্যদিকে কুমার পান ১,৩৬৩ ভোট। এটি আরজেডি প্রার্থীকে নির্ণায়ক সুবিধা এনে দেয় এবং চূড়ান্ত গণনায় তাঁকে এগিয়ে দেয়। এই ফলাফল বিধান পরিষদ নির্বাচনে ব্যবহৃত একক হস্তান্তরযোগ্য ভোট (এসটিভি) পদ্ধতির গুরুত্বও তুলে ধরেছে।
প্রচলিত নির্বাচনের বিপরীতে, যেখানে ভোটাররা একজন প্রার্থীকে বেছে নেন, এসটিভি পদ্ধতিতে তারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রার্থীদের ক্রম নির্ধারণ করতে পারেন। ভোটাররা ব্যালটে তাদের প্রথম, দ্বিতীয় এবং পরবর্তী পছন্দগুলো চিহ্নিত করেন। জয়ী হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে একটি নির্ধারিত কোটা অর্জন করতে হয়। যখন কোনো প্রার্থী প্রথম পছন্দের ভোটের মাধ্যমে সেই সীমায় পৌঁছাতে পারেন না, তখন সর্বনিম্ন ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ক্রমানুসারে বাদ দেওয়া হয় এবং তাদের ভোট পরবর্তী উপলব্ধ পছন্দ অনুযায়ী স্থানান্তরিত করা হয়। দারভাঙায় এই বদলিগুলোই নির্ণায়ক প্রমাণিত হয়, যার ফলে ঝা বিজেপির প্রাথমিক সুবিধা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


