তৈরি হচ্ছে মোদীর মন্দির! উদ্যোগ পড়শি রাজ্যের ট্রান্সজেন্ডার ওয়েলফেয়ার বোর্ডের
জানা যাচ্ছে, পাটনায় এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হবে এবং রাজ্য সরকার এর জন্য জমি চিহ্নিত করার পরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।
বাংলার পড়শি রাজ্য বিহারে এবার তৈরি হতে চলেছে মোদীর মন্দির। প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানিয়ে এনডিএ শাসিত বিহারে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির। ট্রান্সজেন্ডারদের সম্মান ও তাঁদের অধিকার দেওয়ার জন্য মোদীর উদ্যোগকে সম্মান জানিয়ে, বিহারের ট্রান্সজেন্ডার বোর্ড এই মন্দির তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

বিহারে পুরানো সচিবালয়ে অবস্থিত সমাজকল্যাণ দফতরে আয়োজিত বোর্ডের প্রথম সভায় বুধবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বোর্ডটি রাজ্যের সমাজকল্যাণ দফতরের অধীনে কাজ করে। বৈঠকে প্রস্তাবটি উত্থাপনকারী বোর্ড সদস্য রাজন সিং জানান যে, রূপান্তরকামী সম্প্রদায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে তাঁর নামে একটি মন্দির নির্মাণ করতে চায়। তিনি বলেন, পাটনায় এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হবে এবং রাজ্য সরকার এর জন্য জমি চিহ্নিত করার পরই নির্মাণকাজ শুরু হবে। তিনি আরও জানান, মন্দির নির্মাণের যাবতীয় ব্যয়ভার রাজ্য সরকারই বহন করবে। রাজন সিং জানান যে বিহারের রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের নিজস্ব কোনও মন্দির ছিল না, তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রস্তাবটি সদস্যদের সর্বসম্মত সমর্থন লাভ করেছে এবং বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
দেশ জুড়ে কিছুদিন আগে সিজেপির সরকার বিরোধী আন্দোলনের পর মোদীর মন্দির তৈরির এই উদ্যোগের খবর এল প্রকাশ্যে। এদিকে, বিহারে বোর্ডের প্রথম বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাজন সিং বলেন যে, ‘ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (প্রোটেকশন অফ রাইটস) অ্যাক্ট, ২০১৯’ কার্যকর হওয়ার পর এটিই ছিল প্রথম অধিবেশন। এই আইনের মাধ্যমেই রাজ্য সচিবালয়ে রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
এর আগে, ২০১৫ সালে গুজরাটে একবার নরেন্দ্র মোদীর সম্মানে এক মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গুজরাটের রাজকোটের কোঠারিয়া গ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সম্মানে মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই সেই মন্দিরের বিরোধিতা করেন। সেবার মোদী বলেছিলেন, মন্দির হওয়া উচিত দেব-দেবীর উদ্দেশ্যে, কোনও রাজনীতিবিদের জন্য নয়।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


