Narendra Modi Update: ককরোচের ঝাঁঝে নড়েচড়ে বিজেপি! জেন জি-কে কাছে টানতে এবার মোদীর বড় উদ্যোগ

প্রস্তাবিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কলেজের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সেখানে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ও করতে পারেন তিনি। তাঁদের প্রশ্ন শুনতে পারেন। 

Published on: Sep 2, 2026, 11:30:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Narendra Modi Update: নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দেশের তরুণদের আন্দোলন এবার জাতীয় রাজনীতির বড় আলোচনার বিষয়। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির আন্দোলন বিশেষ করে জেন জি-র মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এই আন্দোলনের প্রভাব এখন বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কৌশলেও দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি কাছে টানতে এবার উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরিকল্পনা শুধু বক্তৃতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কলেজে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি কাছে টানতে এবার উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (Narendra Modi Photo Gallery)
তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি কাছে টানতে এবার উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (Narendra Modi Photo Gallery)

প্রস্তাবিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অব কমার্সে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কলেজের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সেখানে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ও করতে পারেন তিনি। তাঁদের প্রশ্ন শুনতে পারেন। জানতে পারেন তাঁদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথা।

নিট আন্দোলনের পর থেকেই জেন জি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে। পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের এক জায়গায় নিয়ে আসে। আন্দোলনের অন্যতম বড় দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

শেষ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করেছিল সিজেপি। তবে তার পরেও সংগঠনটি এবং জেন জি-র ক্ষোভের বিষয়গুলি রাজনীতির বাইরে যায়নি। বরং আরও বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে, দেশের তরুণদের মন জয় করবে কোন রাজনৈতিক শক্তি? এই জায়গাতেই বিজেপির নতুন কৌশল গুরুত্বপূর্ণ। শুধু প্রচলিত রাজনৈতিক সভা নয়। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সামাজিক মাধ্যমে তরুণদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা বাড়ছে।

সূত্রের দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত উদ্যোগ, কর্মসংস্থান এবং যুবসমাজের জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সক্রিয়তা বাড়ানোর উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

কারণ জেন জির রাজনৈতিক আচরণ আগের প্রজন্মের থেকে অনেকটাই আলাদা। তারা সামাজিক মাধ্যমেই বেশি সক্রিয়। কোনও ইস্যুতে দ্রুত সংগঠিত হতে পারে। আবার প্রচলিত রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে।

সিজেপির আন্দোলন সেই সম্ভাবনাই সামনে এনেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনেও দেখা গিয়েছিল, সংগঠনটির আন্দোলন দেশের যুবসমাজে দ্রুত পরিচিতি পেয়েছে। সংগঠনের নেতৃত্ব অবশ্য এখনই নির্বাচনী রাজনীতিতে নামার বদলে বৃহত্তর যুব আন্দোলনের উপর জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি থেমে যায়নি। সিজেপি এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নতুন করে যুব মিছিলের ডাক দিয়েছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, আন্দোলন প্রত্যাহারের সময় কেন্দ্র যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার কয়েকটি এখনও পূরণ হয়নি।

যদিও ১ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস এবং এফআইআর প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া এগোনোর পর সিজেপি ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল বাতিল করেছে। তবুও জেন জি-কে ঘিরে বিজেপির আগ্রহ কমছে না। বরং তরুণদের সরাসরি কথা শোনার উদ্যোগ আরও বাড়ছে। মোদীর কলেজ সফর তাই শুধু একটি বক্তৃতা নয়। এর রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। নিট আন্দোলনের পর দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে নতুন করে বার্তা দিতে চাইছে কেন্দ্র। প্রশ্ন একটাই—জেন জি-র ক্ষোভ, আশা এবং ভবিষ্যতের চিন্তা কতটা বুঝতে পারবে সরকার? শিক্ষক দিবসে সেই প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More