Samik on WB Defence Industry Corridor: বাংলায় প্রতিরক্ষা শিল্পের বড় দরজা খুলতে উদ্যোগ, রাজনাথের কাছে প্রস্তাব শমীকের

শমীকের বক্তব্য, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর যে লক্ষ্য কেন্দ্র নিয়েছে, তার অংশীদার হতে পারে পশ্চিমবঙ্গও। তাঁর মতে, বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির পরিকাঠামো তৈরি হলে শুধু দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পরিমাণই বাড়বে না, রাজ্যেও নতুন শিল্প গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে।

Published on: Sep 24, 2026, 09:19:50 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির বড় কেন্দ্র হিসেবে পশ্চিমবঙ্গকে গড়ে তোলার দাবি তুলতে চলেছে রাজ্য বিজেপি। উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলায় প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর তৈরি করা হোক—এই প্রস্তাব নিয়ে কেন্দ্রের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন তিনি।

শমীকের বক্তব্য, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর যে লক্ষ্য কেন্দ্র নিয়েছে, তার অংশীদার হতে পারে পশ্চিমবঙ্গও। (saikat paul)
শমীকের বক্তব্য, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর যে লক্ষ্য কেন্দ্র নিয়েছে, তার অংশীদার হতে পারে পশ্চিমবঙ্গও। (saikat paul)

শমীকের বক্তব্য, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর যে লক্ষ্য কেন্দ্র নিয়েছে, তার অংশীদার হতে পারে পশ্চিমবঙ্গও। তাঁর মতে, বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির পরিকাঠামো তৈরি হলে শুধু দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পরিমাণই বাড়বে না, রাজ্যেও নতুন শিল্প গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে। তার সঙ্গে কর্মসংস্থানের পথ খুলতে পারে এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলিও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। এই ভাবনাকে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত করা হচ্ছে।

বিজেপি সূত্রের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পগোষ্ঠীর পাশাপাশি কয়েক জন প্রবাসী ভারতীয় শিল্পোদ্যোগীরও বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা তৈরিতে আগ্রহ রয়েছে। তবে এই আগ্রহকে বাস্তব বিনিয়োগে পরিণত করতে প্রয়োজন উপযুক্ত জমি, পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় সহায়তা। সেই কারণেই কেন্দ্রের কাছে আলাদা শিল্প করিডরের দাবি তোলার পরিকল্পনা বলে সূত্রের খবর।

প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে অবশ্য বাংলায় ইতিমধ্যেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। গত ২৩ অগস্ট গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং যন্ত্র ইন্ডিয়া লিমিটেডের পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পগুলির মধ্যে জিআরএসই-র তিনটি এবং যন্ত্র ইন্ডিয়ার দু’টি প্রকল্প রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এগুলির লক্ষ্য জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামতি এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সক্ষমতা আরও বাড়ানো। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

এর বাইরে পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটেও প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো তৈরির কাজ এগোচ্ছে। প্রায় ৮.৭৩ একর উপকূলীয় এলাকায় ডিআরডিও-র একটি অতিরিক্ত পরীক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের পরিপূরক হিসাবে কাজ করবে। পরীক্ষার চাপ ভাগ করে নেওয়া এবং আরও বেশি অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সুযোগ তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজও এগিয়েছে।

জমি নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হবে না বলেই রাজ্য সরকারের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি। কেন্দ্রীয় কোনও বড় প্রতিরক্ষা প্রকল্প এলে প্রয়োজনীয় জমি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা দেওয়ার কথাও রাজ্য সরকার জানিয়েছে। ফলে শিল্প করিডরের দাবি বাস্তবায়িত হলে বাংলার পুরনো প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোর সঙ্গে নতুন বেসরকারি বিনিয়োগকে জুড়ে দেওয়ার একটি কাঠামো তৈরি হতে পারে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More