Grenade Blast near India-Pakistan Border: ভারত-পাক সীমান্তের কাছে গ্রেনেড বিস্ফোরণ, আহত একই পরিবারের ৩! আতঙ্ক পঞ্জাবে
গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর হামলাকারীরা দ্রুত বাইকে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। শুরু হয় তদন্ত। বিস্ফোরণের জায়গা ঘিরে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। হামলায় ব্যবহৃত বিস্ফোরক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে পুলিশ।
ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পঞ্জাবে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অমৃতসরের রামদাস এলাকার জট্টা গ্রামে একটি বাড়িকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের জেরে বাড়ির জানলার কাচ এবং একটি গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, রাতের দিকে বাইকে করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বাড়ির সামনে আসে। দু’জনের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। আচমকাই তাঁরা বাড়ির দিকে একটি গ্রেনেড ছুড়ে দেন। বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির কাচ ভেঙে যায়। পরিবারের সদস্যরাও আহত হন।
গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর হামলাকারীরা দ্রুত বাইকে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। শুরু হয় তদন্ত। বিস্ফোরণের জায়গা ঘিরে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। হামলায় ব্যবহৃত বিস্ফোরক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাইকে আসা দুই হামলাকারী কোন দিক দিয়ে এসেছিল এবং কোন পথে পালিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় জানা যায়নি। কাউকে গ্রেফতারও করা হয়নি।
এই হামলার পিছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা, পুরনো কোনও বিবাদ বা বড় কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সীমান্তের এত কাছে এই ধরনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদিও হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি প্রশাসন।
হামলার পর ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন। হামলাকারীদের পরিচয় এবং তাঁদের উদ্দেশ্য জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষার পাশাপাশি স্থানীয়দের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে, ঘটনার পর পঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন শিরোমণি অকালি দলের নেতা বিক্রম মজিঠিয়া। তিনি হামলার একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, পঞ্জাবের মানুষ এখন নিজেদের বাড়িতেও নিরাপদ নন।
মজিঠিয়া রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তাঁর অভিযোগ, একসময় থানাগুলিকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা সামনে আসত। এখন সাধারণ মানুষের বাড়িতেও গ্রেনেড ছোড়া হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তবে এই হামলার সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না পুলিশ। আপাতত সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।
সীমান্তের কাছে এই হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং হামলার প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে আনার দাবিও উঠেছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


