Blinkit: তদন্তে দেখা যায়, মরিচা ধরা র্যাকে ঠাসাঠাসি করে রাখা রয়েছে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। এছাড়া কোল্ড স্টোরেজ বা হিমঘরেও চরম নোংরা পরিবেশে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া প্যাকেটজাত খাবার জমা করে রাখা হয়েছিল।
Blinkit: খাদ্য নিরাপত্তা ও চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগে কুইক-কমার্স সংস্থা 'ব্লিংকিট' (Blinkit)-এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'ব্লিংক কমার্স প্রাইভেট লিমিটেড'-এর ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড করল মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA)। সম্প্রতি মুম্বইয়ের মালাড (ওয়েস্ট) এলাকায় সংস্থার ডার্ক স্টোরে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়ে আরশোলার ব্যাপক উপদ্রব, খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পান।
মুম্বইয়ে ব্লিংকিটের ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড
তদন্তে দেখা যায়, মরিচা ধরা র্যাকে ঠাসাঠাসি করে রাখা রয়েছে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। এছাড়া কোল্ড স্টোরেজ বা হিমঘরেও চরম নোংরা পরিবেশে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া প্যাকেটজাত খাবার জমা করে রাখা হয়েছিল। এফডিএ-র এই কঠোর পদক্ষেপের বিষয়ে ব্লিংকিটের প্রতিক্রিয়া জানতে 'হিন্দুস্তান টাইমস'-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও তাদের তরফে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য এফডিএ-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ!
অন্যদিকে, অ্যামাজন রিটেইল ইন্ডিয়ার (Amazon Retail India) ভিওয়ান্ডি ওয়্যারহাউসের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র এফডিএ (FDA)-র কড়া পদক্ষেপ নিয়ে উষ্মা প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই ই-কমার্স সংস্থা সংক্রান্ত মামলায় বড় নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট। সোমবার হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, থানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে অবস্থিত ওই ওয়্যারহাউসে জমে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া খাদ্যসামগ্রী বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধ্বংস করার জন্য এফডিএ-র হাতে তুলে দিতে হবে অ্যামাজনকে। এই মামলার শুনানিতে বম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ঘুগে এবং বিচারপতি গৌতম আঙ্কারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ অ্যামাজনের আবেদনের জবাবে এফডিএ-কে আগামী ২৭ আগস্টের মধ্যে হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য, নষ্ট বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ধ্বংস করার বদলে খুচরো বাজারে সরবরাহ করার অভিযোগে এফডিএ ভিউন্ডি গুদামের লাইসেন্স স্থগিত করলে বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল অ্যামাজন।
মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে আদালত জানায়, আবেদনকারী সংস্থাকে তাদের গুদামে থাকা সমস্ত মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া সামগ্রীর একটি তালিকা বা ইনভেন্টরি তৈরি করে সংশ্লিষ্ট এফডিএ আধিকারিকের হাতে তুলে দিতে হবে। আইন মেনে ওই সমস্ত ক্ষতিকর খাদ্যসামগ্রী নষ্টের পদক্ষেপ নেবেন আধিকারিক এবং এই পুরো প্রক্রিয়ার যাবতীয় খরচ বহন করতে হবে অ্যামাজনকেই।