BNP Leader on Farakka Dam: 'কী দরকার ছিল এই ফারাক্কা বাঁধের? নীতীশ কুমার এই বাঁধ ভেঙে দিতে বলেছিলেন'
ভারতের উদ্দেশে রিজভি বলেন, ‘বাংলাদেশকে নাকি আপনারা বন্ধু মনে করেন, এ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নাকি আপনারা অবদান রেখেছেন। রেখেছেন, সত্যি কথা। কিন্তু আপনাদের অন্তরে তো তাহলে প্রকৃত ভালোবাসা, প্রকৃত বন্ধুত্ব ছিল না।’
ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করা নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিএনপি নেতা তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভি। তিনি দাবি করেন, শুধুমাত্র কলকাতা পোর্ট বা কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষা করার জন্য ভারত সরকার ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। এরই সঙ্গে তাঁর আরও দাবি, নীতীশ কুমার নাকি এই ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

ভারতের উদ্দেশে রিজভি বলেন, 'বাংলাদেশকে নাকি আপনারা বন্ধু মনে করেন, এ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নাকি আপনারা অবদান রেখেছেন। রেখেছেন, সত্যি কথা। কিন্তু আপনাদের অন্তরে তো তাহলে প্রকৃত ভালোবাসা, প্রকৃত বন্ধুত্ব ছিল না। তিন বছর, সাড়ে তিন বছর যেতে না যেতেই আপনারা গঙ্গার উপর একটা বাঁধ দিয়ে দিলেন, যে বাঁধে আমাদের ভয়ঙ্কর রকমের পরিবেশগত ও ইকোলজিক্যাল প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। এভাবে একটা দেশের ক্ষতি করে দেবেন? নিশ্চয়ই আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সুসম্পর্ক থাকবে, কিন্তু সেটা হতে হবে সমান মর্যাদার ভিত্তিতে। এই আবহে প্রশ্ন উঠবেই, কী দরকার ছিল ফারাক্কা বাঁধের? কেন আপনারা এটা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে গেলেন? কেন আপনারা ফারাক্কা ব্যারেজ করতে গেলেন? কী দরকার ছিল আপনাদের?'
বিএনপি নেতা নিজেই বলেন, ব্রিটিশ আমলের শেষ দিক থেকে কথাটা উঠছিল যে গঙ্গার উপর একটা ব্যারেজ করতে হবে। এটা করতে ৫০-এর দশক, ৬০-এর দশক থেকে উদ্যোগ শুরু হয়। এরপর তিনি দাবি করেন, নীতীশ কুমারের সরকার নাকি এই বাঁধ ভেঙে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিল। তিনি বলেন, 'ভারতের ভেতর থেকেই বলা হয়েছে যে ফারাক্কা বাঁধ শুধু বাংলাদেশের ওপরই বিরূপ প্রভাব ফেলছে না বা ক্ষতি করছে না, এটা ভারতকেও প্রভাবিত করছে, বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিহার ডুবে যাচ্ছে, অসমে বন্যা হচ্ছে, একটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। নীতীশ কুমার স্পষ্টভাবে তাঁর বক্তব্যে বলেছেন- ফারাক্কা বাঁধ তুলে ফেলো, সরিয়ে ফেলো, ভেঙে ফেলো। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করেনি।'
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


