BNP on Modi's Message about Tarique: তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা মোদীর, ভারতকে নিয়ে পালটা কী বললেন বিএনপি নেতা?
নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, বিএনপি সরকারে এলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, গণতন্ত্র হিসেবে ভারত যে বাংলাদেশের মানুষের মতামতকে মেনে নেবে, এটাই স্বাভাবিক বিষয়।
আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে একচেটিয়া ভাবে জয় পেয়েছে বিএনপি। এই আবহে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। এই পরিস্থিতিতে মোদীকে পালটা ধন্যবাদ জানালেন বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতা নজরুল ইসলাম খান। এরই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিএনপি সরকারে এলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, গণতন্ত্র হিসেবে ভারত যে বাংলাদেশের মানুষের মতামতকে মেনে নেবে, এটাই স্বাভাবিক বিষয়।

ভারতীয় সাংবাদিকদের নজরুল ইসলাম খান বলেন, 'দুই প্রতিবেশী দেশ এবং এই দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে। আমাদের নেতা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মানুষের জনমতকে সব গণতন্ত্রই মেনে নেবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেটাই করেছেন।'
উল্লেখ্য, ভোটে জয় নিশ্চিত হতেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারেকের উদ্দেশ্যে বার্তায় মোদী বলেন, 'বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি জনাব তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে আগ্রহী। আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমি আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।'
এদিকে ভারত যে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই বার্তা দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকাকে দিচ্ছিল দিল্লি। এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশি হাইকমিশনে গিয়ে শোকবার্তা লিখেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল। এই আবহে ঢাকায় তারেকের সরকার গঠিত হলে মোদী সরকার তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে চলতে চাইবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


