Brazil Model vote allegation Haryana: ‘কখনও সরস্বতী…’, হরিয়ানায় ২২ বার ভোট ব্রাজিলীয় মডেলের, ‘হাইড্রোজেন বোমা’ রাহুলের
বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগেরদিন ‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফেললেন রাহুল গান্ধী। আগামিকাল বিহারে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে ভোটচুরির অভিযোগ তুললেন রাহুল।
হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন নামে ২২ বার ভোট দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মডেল। কখনও সরস্বতী নামে ভোট দিয়েছেন। কখনও ভোট দিয়েছেন সীমা নামে। কখনও তাঁর আবার নাম হয়ে গিয়েছে সীমা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেছেন, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের সময় ১০টি বুথে মোট ২২ বার ভোট দিয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর নামও জানান রাহুল। সেইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, যে কায়দায় একজন ব্রাজিলিয়ান মহিলা হরিয়ানায় ২২ বার ভোট দিয়েছেন, তা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের কারচুপি করতে ‘কেন্দ্রীভূত অপারেশন’ চালানো হয়েছে।

‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফেললেন রাহুল
আর রাহুলের সেই অভিযোগের পরই দাবি করা হয়েছে যে কংগ্রেস নেতা যে ‘হাইড্রোজেন বোমা’ ফেলার কথা বলেছিলেন, সেটা আজ ফেললেন। আর ‘হাইড্রোজেন বোমা’-র অংশ হিসেবে বুধবার নয়াদিল্লিতে ‘ভোটচুরির’ অভিযোগ সংক্রান্ত সাংবাদিক বৈঠকে এক মহিলার ছবি দেখান লোকসভার বিরোধী দলনেতা।
'কখনও সীমা, কখনও সুইটি, কখনও সরস্বতী….'
তারপর তিনি বলতে থাকেন, উনি কি হরিয়ানার বাসিন্দা? আপনারা নিশ্চিত? আপনারা কি পুরোপুরি নিশ্চিত যে উনি হরিয়ানার বাসিন্দা নন? কিন্তু উনি হরিয়ানায় ২২ বার ভোট দিয়েছেন। আর উনি হরিয়ানার ১০টি বুথে ভোট দিয়েছেন। তাঁর একাধিক নাম আছে - সীমা, সুইটি, সরস্বতী, রশ্মি, বিমলা। আমি এই ছবিটা দিয়ে শুরু করছি, কারণ এটা ১০টি বুথে হয়েছে। যার অর্থ হল যে এটা কেন্দ্রীভূত অপারেশন। কেউ একজন কেন্দ্রীয় স্তরে এই মহিলার নামটা ভোটার তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। বুথস্তরে হয়নি।
হরিয়ানায় ২৫ লাখ ভোটচুরি, দাবি রাহুলের
তারপর কটাক্ষ করে রাহুল বলেন যে ওই মহিলা কোথাকার বাসিন্দা বলতে পারলে তিনি পুরস্কার দেবেন। তবে কেউ বলতে পারেননি। রাহুল নিজেই জানিয়ে দেন। তিনি দাবি করেন যে ওই মহিলা আদতে ব্রাজিলের মডেল। তবে তাঁর বিষয়টি একটা উদাহরণ। হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে ২৫ লাখ ভোটচুরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাহুল।
সেই রেশ ধরে রাহুল আরও বলেন, ‘সব (এক্সিট) পোলেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে (হরিয়ানায়) কংগ্রেস জিতবে। আমাদের কাছে অবাক করার মতো আরও কিছু বিষয় ছিল যে হরিয়ানার নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের প্রকৃত ভোটের চেয়ে আলাদা ছিল... হরিয়ানায় এর আগে কখনও এমনটি ঘটেনি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


