BSF-ED-NIA Operation in Border Area: পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের রমরমা, অভিযানে নামবে বিএসএফ-ইডি-এনআইএ

কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এই অভিযানের জন্য সমন্বয় করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে।

Published on: Mar 02, 2026 7:44 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিহারের সীমাঞ্চলে অবৈধ অনুপ্রবেশের পাশাপাশি ভারতীয় জাল নোট, মানব পাচার ও মাদকের বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিন দিনের সফরের পরই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এই অভিযানের জন্য সমন্বয় করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে।

এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে। (ANI Video Grab)
এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে। (ANI Video Grab)

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তথ্য পেয়েছে যে নেপালের সাথে যুক্ত বিহারের সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের পাশাপাশি জাল ভারতীয় মুদ্রার একটি বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। এছাড়া মানব পাচারের ব্যবসা থেকে শুরু করে মাদক চোরাচালানেও সক্রিয় এখানাকার অসাধু চক্র। এই নেটওয়ার্ক ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষতি করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ভারসাম্য বিঘ্নিত করছে। এজন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে চোরাচালানের রুটের লাইভ মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসএসবি, আইবি, বিএসএফ এবং আইটিবিপিকে।

সূত্রের খবর, সীমান্তে বেশ কয়েকটি অবৈধ বসতি স্থাপনের তথ্য পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে সমস্ত অবৈধ বসতি অপসারণ করা হবে। সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালাতে হবে। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিষাণগঞ্জ জেলায় সামরিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদ্রাসাগুলির বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। এই আবহে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদ্রাসাগুলোর ওপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলি নজর রাখছে। সন্দেহজনক মাদ্রাসাগুলির তহবিলের উৎস নিয়ে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তথ্য পেয়েছে যে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেশ কয়েকটি চিনা ভাষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও খোলা হয়েছে। যার ফরে এই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে।

এমনিতেই বিহারের কিষাণগঞ্জে নতুন ব্যাটেলিয়ান অফিস বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করার কথা ভারতীয় সেনার। উল্লেখ্য, চিকেন নেক করিডর থেকে কিষাণগঞ্জের দূরত্ব ১৫২-১৮০ কিলোমিটার। এদিকে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ইউনুস জমানায় একাধিক জায়গায় বিএসএফকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিয়েছে বিজিবি। এই নিয়ে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে একাধিক জায়গায় সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ অগস্টের পর থেকে। এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেও কথা হয়েছে দুই দেশের। পতাকা বৈঠক হয়েছে জায়গায় জায়গায়। এছাড়া 'সীমান্ত হত্যা' নিয়ে বাংলাদেশের অনেক অভিযোগ। যদিও পাচারকারীকে রুখতে ব্যর্থ বিজিবি। এই আবহে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বা পাচারকারীর ওপর বিএসএফ গুলি চালালে তাতেও আপত্তি বাংলাদেশের। এদিকে অনেক জায়গাতেই অভিযোগ উঠেছে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করে বিজিবি। এই আবহে বিহারের সীমাঞ্চল এবং বাংলার চিকেনস নেক এলাকা ক্রমেই আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠছে।