BSF to BGB on Infiltration: অনুপ্রবেশকারীদের ফেরানোর ক্ষেত্রে কোনওরকম অজুহাত বরদাস্ত করা হবে না, BGB-কে বলবে BSF
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে বিজিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোনওরকম অজুহাত বরদাস্ত করা হবে না। সীমান্ত সুরক্ষায় কোনও আপস করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হবে।
নয়াদিল্লিতে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে তিন দিনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। ১১ জুন পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসতে চলেছে ‘পুশব্যাক’ নীতি। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে এবার আরও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে ভারত বলে সূত্রের খবর।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে বিজিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোনওরকম অজুহাত বরদাস্ত করা হবে না। সীমান্ত সুরক্ষায় কোনও আপস করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হতে পারে।
এই বৈঠকে বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বাহিনীর ডিজি মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার। অনুপ্রবেশ রোধ, অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যর্পণ এবং সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগের মতো বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।
বিএসএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধবাসীদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বিজিবিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হবে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে এখনও প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। আবার প্রায় ১৭৪ কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক ও অন্যান্য কারণে বেড়া নির্মাণ কার্যত অসম্ভব। ফলে সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে দুই দেশের সমন্বয় কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর থাকবে এই বৈঠকে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লির সাউথ ব্লক। কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, সীমান্ত ও অনুপ্রবেশ সমস্যার সমাধান শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে সম্ভব নয়; কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরেও দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। তাই এবারের বৈঠককে সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


