Chinese Companies Black Listed: চিনের সেনাবাহিনীকে সহায়তার অভিযোগে BYD, আলিবাবা, বাইদুকে কালো তালিকাভুক্ত করল আমেরিকা
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই সংস্থাগুলি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে চিনের 'মিলিটারি-সিভিল ফিউশন' কৌশলের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের প্রযুক্তি ও শিল্প সক্ষমতা চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে কাজে লাগতে পারে। সেই কারণেই পেন্টাগনের ‘চাইনিজ মিলিটারি কোম্পানিজ’ তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর চিনের একাধিক শীর্ষ প্রযুক্তি ও শিল্প সংস্থাকে এমন একটি তালিকায় যুক্ত করেছে, যাদের বিরুদ্ধে বেজিংয়ের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। নতুন তালিকায় জায়গা পেয়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডি, প্রযুক্তি জায়ান্ট আলিবাবা, সার্চ ইঞ্জিন ও AI সংস্থা বাইদু, গাড়ি প্রস্তুতকারী এনআইও-সহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই সংস্থাগুলি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে চিনের 'মিলিটারি-সিভিল ফিউশন' কৌশলের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের প্রযুক্তি ও শিল্প সক্ষমতা চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে কাজে লাগতে পারে। সেই কারণেই পেন্টাগনের ‘চাইনিজ মিলিটারি কোম্পানিজ’ তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে এই তালিকাভুক্তি কোনও তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নয়। কিন্তু মার্কিন আইনের অধীনে চলতি মাস থেকেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করতে পারবে না। ২০২৭ সাল থেকে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও তাদের পণ্য বা পরিষেবা কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। ফলে ভবিষ্যতে এসব সংস্থার মার্কিন বাজারে ব্যবসায়িক সুযোগ কিছুটা সীমিত হতে পারে।
অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি। আলিবাবা জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই এবং তারা কোনও সামরিক প্রতিষ্ঠানের অংশ নয়। বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা BYD-ও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলেছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তারা আইনি ও প্রশাসনিক সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। এই পদক্ষেপ এমন সময় নেওয়া হল, যখন ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে এবং প্রযুক্তি খাতে ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


