কপিলের ক্যাফেতে হানা..আক্রোশের নেপথ্যে কোন ঘটনা! পর্দাফাঁস করল কানাডার বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি
কী বলছে সিবিএসএ-র রিপোর্ট।
বেশ কিছুদিন আগে কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফেতে হামলা হয়। ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় কপিলের ক্যাফেতে সেই হামলার নেপথ্য কারণ নিয়ে এবার মুখ খুলল কানাডার বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি। তদন্তে উঠে আসা তথ্য তারা গোপন নথিতে পেশ করেছে।

কানাডার বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির তদন্ত বলছে, সদ্য নেটফ্লিক্সের কপিল শর্মা শো-তে সলমন খানকে আমন্ত্রণের ঘটনাই কপিলের প্রতি আক্রোশ বাড়িয়ে দেয় হামলাকারীদের। জানা যাচ্ছে, কপিলের ক্যাফেতে হামলার অভিযোগের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে হ্যারি বক্সার নামে জনৈক ব্যক্তির। সিবিএসএ-র দাবি, কপিল শর্মা তাঁর নেটফ্লিক্স শো-তে সলমন খানকে আমন্ত্রণ জানানোর ফলে অভিযুক্ত হামলাকারীর আক্রোশ বাড়ে এবং এর জেরেই ক্যাফেটিকে টার্গেট করা হয়। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের জুনে কপিল শর্মার শো-তে পৌঁছন সলমান।
কানাডায় লরেন্স বিষ্ণোই-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের কথিত কার্যকলাপ নিয়ে যে বৃহত্তর মূল্যায়ন চলছে, এই রিপোর্টটি তারই একটি অংশ। এতে দাবি করা হয়েছে যে, এই সিন্ডিকেটটি একটি ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে’ রূপান্তরিত হয়েছে। অর্থাৎ, ভারত থেকে প্রতিটি কার্যক্রম সরাসরি পরিচালনা করার পরিবর্তে, তারা এখন স্থানীয় তরুণ এবং ইন্দো-কানাডীয় ‘স্ট্রিট গ্যাং’ বা রাস্তার অপরাধী দলগুলোর সাথে জোট গড়ে তুলে অপরাধ চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা কাণ্ডের পর থেকেই বিষ্ণোই গ্যাং-র টার্গেটে সলমান রয়েছেন, বলে খবর উঠে আসে। কানাডার এজেন্সি বলছে, আরও দাবি করে যে, বিষ্ণোই নেটওয়ার্ক তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডগুলি, স্থানীয় গ্যাং,যেমন ‘রাফিয়ানস’ এর মতো দলের,কাছে আউটসোর্স বা হস্তান্তর করে থাকে। এর ফলে তদন্তকারীদের পক্ষে চাঁদাবাজি ও গোলাগুলির ঘটনার সাথে নেটওয়ার্কটির শীর্ষস্থানীয় সদস্যদের সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। রিপোর্টে, ওই কথিত নেটওয়ার্ক এবং কানাডার বাণিজ্যিক ট্রাক পরিবহন খাতের মধ্যে ক্রমবর্ধমান যোগসূত্রের বিষয়টিও চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে মানুষ, আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ সামগ্রী আনা-নেওয়ার কাজে লজিস্টিকস বা পরিবহন পরিকাঠামোকে ব্যবহার করা হতে পারে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


