Captain Vaibhav Sooryavanshi: মাত্র ১৫ বছরেই গড়লেন ইতিহাস! ইস্ট জোনের অধিনায়কের দায়িত্বে বৈভব, ঈশান চোট পেতেই সমীকরণ বদল

Captain Vaibhav Sooryavanshi: বেঙ্গালুরুতে সেন্ট্রাল জোনের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে নামার আগে বড় ধাক্কা খায় ইস্ট জোন। সেন্ট্রাল জোনের প্রথম ইনিংসের ১৯তম ওভারে উইকেটকিপিং করার সময় ডান কব্জিতে বল লাগে ইস্ট জোনের অধিনায়ক ঈশান কিষানের।

Published on: Aug 30, 2026, 16:51:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Captain Vaibhav Sooryavanshi: ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন ইতিহাসের সাক্ষী থাকল বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ লাল বলের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা দলীপ ট্রফির (Duleep Trophy 2026) সেমিফাইনালে সিনিয়র দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব সামলালেন বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। সেন্ট্রাল জোনের বিরুদ্ধে ইস্ট জোনের (East Zone) গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আচমকাই তাঁর কাঁধে এসে পড়ে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। আর এই বসয়ে বড়দের দলের অধিনায়কদের পদ পাওয়া নিঃসন্দেহে বিরাট বড় ব্যাপার বলে মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

ইস্ট জোনের অধিনায়কের দায়িত্বে বৈভব সূর্যবংশী
ইস্ট জোনের অধিনায়কের দায়িত্বে বৈভব সূর্যবংশী

বেঙ্গালুরুতে সেন্ট্রাল জোনের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে নামার আগে বড় ধাক্কা খায় ইস্ট জোন। সেন্ট্রাল জোনের প্রথম ইনিংসের ১৯তম ওভারে উইকেটকিপিং করার সময় ডান কব্জিতে বল লাগে ইস্ট জোনের অধিনায়ক ঈশান কিষানের। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে এসে তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন ফিজিয়োরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও পরীক্ষার জন্য মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। পরে হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে ঈশান মাঠে ফিরলেও ততক্ষণে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন ঝাড়খণ্ডেরই কুমার কুশাগ্র। তবে অধিনায়কত্ব কে করবেন, সেটাই হয়ে ওঠে বড় প্রশ্ন। সেই পরিস্থিতিতে দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব চলে যায় সহ-অধিনায়ক বৈভবের হাতে। সিনিয়র পুরুষ দলের ক্রিকেটে এটাই তার প্রথম অধিনায়কত্ব। আর সেই সুযোগেই ১৫ বছর বয়সে ঘরোয়া ক্রিকেটে ইতিহাস গড়লেন তিনি।

দলীপ ট্রফির জন্য দল ঘোষণার সময়ই বৈভবকে সহ-অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। এত অল্প বয়সে একজন ক্রিকেটারকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। তবে ইস্ট জোনের নির্বাচকরা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তাঁদের বিশ্বাস ছিল, বৈভবের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে এবং ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাঁকে বড় মঞ্চে তৈরি করার সুযোগ দেওয়া দরকার। ২০২৪ সালে রঞ্জি ট্রফির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের পর বৈভব সূর্যবংশীর যাত্রা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। দলীপ ট্রফির এই ম্যাচটি ছিল তাঁর প্রথম শ্রেণির কেরিয়ারের মাত্র দশম ম্যাচ। আগের ৯টি ম্যাচে ১৬.৫৩ গড়ে ২১৫ রান করেছেন তিনি, রয়েছে একটি অর্ধশতরানও। অর্থাৎ লাল বলের ক্রিকেটে এখনও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে এই তরুণ বাঁ-হাতি ব্যাটারকে। মাঠে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়া সত্ত্বেও, মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার এবং অভিমন্যু ঈশ্বরণের মতো অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক ও তারকা ঘরোয়া ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুভার রয়েছে তাঁর ওপর। তবে দলীপ ট্রফিতে বৈভবের শুরুটা অবশ্য ব্যাট হাতে খুব একটা ভালো হয়নি। নর্থ ইস্ট জোনের বিরুদ্ধে নিজের প্রথম দলীপ ট্রফি ম্যাচের প্রথম ইনিংসে তিনি মাত্র ৮ রান করে আউট হন। কিন্তু স্পিন বোলিংয়ে দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে দলের ইনিংস ব্যবধানে জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এবার সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা। সেন্ট্রাল জোনের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে অধিনায়ক হিসেবে বৈভব কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেদিকেই নজর ক্রিকেটমহলের।