CBSE Review Controversy: এই খাতা অন্যের! রিভিউয়ে অভিযোগ তুলে শুনতে হয়েছিল 'তুমি পাকিস্তানি', তবে এবার ভুল মানল সিবিএসই

CBSE Review Controversy: বেদান্ত শ্রীবাস্তব প্রথম থেকেই দাবি করেছিলেন, আপলোড হওয়া উত্তরপত্রের হাতের লেখা ও প্রশ্ন সমাধানের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। পরে বোর্ড তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং সঠিক উত্তরপত্র ই-মেইলে পাঠায়। সিবিএসই-র এক আধিকারিকও ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Published on: May 26, 2026, 09:49:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

CBSE Review Controversy: সিবিএসই-র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় বিতর্কের মাঝে এক পড়ুয়ার অভিযোগকে সত্যি বলে মেনে নিল বোর্ড। দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র দাবি করেছিলেন, পুনর্মূল্যায়নের জন্য যে ফিজিক্সের উত্তরপত্র তাঁকে দেখানো হয়েছিল, সেটি তাঁর নয়। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এমনকি তাঁকে 'পাকিস্তানি' বলেও কটাক্ষ করা হয়। পরে সিবিএসই স্বীকার করে নেয়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ভুল উত্তরপত্র আপলোড হয়েছিল।

সিবিএসই-র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় বিতর্কের মাঝে এক পড়ুয়ার অভিযোগকে সত্যি বলে মেনে নিল বোর্ড।
সিবিএসই-র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় বিতর্কের মাঝে এক পড়ুয়ার অভিযোগকে সত্যি বলে মেনে নিল বোর্ড।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির ওই পড়ুয়া বেদান্ত শ্রীবাস্তব প্রথম থেকেই দাবি করেছিলেন, আপলোড হওয়া উত্তরপত্রের হাতের লেখা ও প্রশ্ন সমাধানের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। পরে বোর্ড তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং সঠিক উত্তরপত্র ই-মেইলে পাঠায়। সিবিএসই-র এক আধিকারিকও ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর ছাত্রের পরিবার জানায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান ও কটাক্ষের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল বেদান্ত। তাঁর ভাই সিদ্ধার্থ সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, শুধুমাত্র অভিযোগ জানানোর কারণেই তাঁদের 'দেশপ্রেম' নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

বোর্ডের তরফে সংশোধিত উত্তরপত্র পাঠানোর পর বেদান্তের পদার্থবিদ্যায় নম্বর ৬৫ থেকে বেড়ে ৭৪ হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। তবে তিনি এখনও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছর সিবিএসই-র অনলাইন পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কখনও পোর্টাল ক্র্যাশ, কখনও অস্বাভাবিক ফি, আবার কখনও ভুল স্ক্যান করা উত্তরপত্র- সব মিলিয়ে বোর্ডের ডিজিটাল মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বহু পড়ুয়া আবার অভিযোগ করেছে, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা, কাটা বা অপাঠ্য ছিল। অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণ দেখা যাচ্ছিল না বলেও দাবি উঠেছে। বিতর্ক বাড়তে থাকায় শিক্ষা মন্ত্রক ও সিবিএসই পরে সাংবাদিক বৈঠক করে। সেখানে জানানো হয়, প্রায় ৯৮ লক্ষ উত্তরপত্র ডিজিটালি স্ক্যান করা হয়েছিল এবং ১৩ হাজারের বেশি কপিতে স্ক্যানিং সমস্যা ধরা পড়ে। পরে আবার খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফি কমানো হয়।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More