IIT Bombay: সাহিলের পরীক্ষা মাঝপথে থামিয়ে বাইরে নিয়ে যান অধ্যাপক দুল্লা! IIT বম্বের CCTV ফুটেজ প্রকাশ্যে

IIT Bombay: সাহিল ওয়াকোড়ের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বই পুলিশ প্রফেসর দুল্লার বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১০৮ নম্বর ধারা, যা আত্মহত্যায় প্ররোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত, অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে।

Published on: Sep 24, 2026, 15:40:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

IIT Bombay: আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোড়ের (Sahil Wakode) মৃত্যুর ঘটনায় বাড়ছে রহস্য। সাহিল ওয়াকোড়ের মৃত্যুতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষের দাবি, পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে ঢুকেছিলেন ওই ছাত্র। পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারও করেন তিনি। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বাড়ছে বিতর্ক। আর এই আবহে প্রকাশ্যে এসেছে এক নতুন ও চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ভিডিও। দাবি, ভিডিওটি পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

IIT বম্বের CCTV ফুটেজ প্রকাশ্যে (সৌজন্যে এক্স )
IIT বম্বের CCTV ফুটেজ প্রকাশ্যে (সৌজন্যে এক্স )

সিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে কালো টি-শার্ট পরে সামনের সারির একটি আসনে বসেছিলেন সাহিল ওয়াকোড়ে। এমন সময় অধ্যাপক তথা হলের পরিদর্শক সূর্যনারায়ণ দুল্লা তাঁর কাছে এসে কথা বলেন। সেই সময় সাহিল অল্প সময়ের জন্য বেঞ্চ থেকে উঠে আবার বসে পড়েন। এর পর পরিদর্শকের হাতে নিজের মোবাইল ফোনটি তুলে দেন। তার পর সাহিল এবং অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চলে। তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু ক্ষণ পরেই নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান সাহিল। তাঁর পিছন পিছন বেরিয়ে যান অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লাও। সেই ভিডিওই প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাচক্রে এর কয়েক ঘণ্টা পরেই ২২ বছর বয়সি এই দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রকে তাঁর হস্টেলের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এর আগে ছাত্রের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে আইআইটি বম্বে জানিয়েছিল, ওই দিনই পরীক্ষার সময় সাহিলকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল। এক বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তর খোঁজার জন্য তিনি প্রশ্নপত্রটি চ্যাটজিপিটি-তে আপলোড করেছিলেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমানে সাহিলের মৃত্যুর ঘটনায় পরীক্ষাকেন্দ্রের ওই সিসিটিভি ফুটেজটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরীক্ষার শেষ ২০ মিনিটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা ওই সব ফুটেজ দেখেই বোঝার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।অন্যদিকে, কর্তৃপক্ষের এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই পাল্টা দাবি করেছেন সাহিলের অভিভাবকেরা। সাহিলের বাবা-মা রবীন্দ্র ও সোনালি ওয়াকোড়ের অভিযোগ, তিন মাস ধরে প্রফেসর দুল্লা তাঁকে বারবার নিশানা করেছিলেন। সাহিলের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বই পুলিশ প্রফেসর দুল্লার বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১০৮ নম্বর ধারা, যা আত্মহত্যায় প্ররোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত, অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে।

সাংবাদিকদের সাহিলের বাবা রবীন্দ্র ওয়াকোড়ে বলেন, ‘অধ্যাপক দুল্লা আমার ছেলের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতেন। আমার ছেলে আমাকে এই বৈষম্যের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম যে আইআইটি-তে ভর্তি হওয়া খুব কঠিন। আমি ওকে পরিস্থিতি মেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম।’ তবে আইআইটি বম্বের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা সূর্যনারায়ণ দুল্লার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কেবল নিজের দায়িত্ব পালন করার জন্যই তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। এদিকে, অধ্যাপক দুল্লাকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাফেয়ার্স–এর ডিন পদ থেকে সরিয়ে দেন আইআইটি কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সূত্রে খবর, তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।