LPG Crisis update: বাণিজ্যিক এলপিজি নিয়ে বড় বার্তা কেন্দ্রের! ইরানে হরমুজ-হুঙ্কার নয়া সুপ্রিম নেতা মোজতাবার
কী বললেন ইরানের নয়া সুপ্রিম নেতা, এদিকে, বাণিজ্যিক এলপিজি নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র?
ইরান যুদ্ধ ঠিক কবে থামবে? এই প্রশ্ন বিশ্ব জুড়ে। মিলছে না সদুত্তর! এরই মাঝে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর পর, সেদেশে কে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হবেন, তা নিয়ে ছিল জল্পনা। কিছুদিন আগেই এই পদের জন্য নাম উঠে আসে আয়াতোল্লা খামেনি পুত্র মোজতাবার। আয়াতোল্লার মৃত্যুর পর, আজ দুনিয়ার সামনে প্রকাশ্যে এসে মুখ খোলেন মোজতাবা। তাঁর ভাষণের প্রথম থেকে শেষ পর্যায়ে ছিল রণহুঙ্কার। সঙ্গে ছিল পিতৃ, পরিজন হারা মোজতাবার প্রতিশোধের বার্তা। যে রুদ্ধ হরমুজ প্রণালী ইরান যুদ্ধের মাঝে বিশ্ব জোড়া জ্বালানি সংকট তৈরি করছে, সেই হরমুজ প্রণালী নিয়েও বক্তব্য রাখেন মোজতাবা।

এদিকে, দিল্লিতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে এক প্রেস ব্রিফে বাণিজ্যিক এলপিজি নিয়ে দিল্লি তার বড় সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এর আগে, দেশে ঘরোয়া হেঁশেলে যাতে এলপিজি সংকট না দেখা দেয়, তার জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। এদিকে, রেস্তোরাঁ থেকে মন্দিরের ভোগ, সর্বত্র তার প্রভাব পড়ে। বহু রেস্তোরাঁর ব্যবসা সংকটে পড়ে যায়, রিপোর্ট দাবি করছে, বহু রেস্তোরাঁ বিভিন্ন পদ সরিয়ে নিচ্ছে মেনু থেকে, এছাড়াও পাউরুটি তৈরির বেকারিগুলিও বাণিজ্যিক এলপিজি সংকটের জেরে বিপাকে পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায়, সুইগি, জোম্যাটো সংস্থার মতো নানান ডেলিভারি গিগ কর্মীরাও বিপাকে। এমন এক পরিস্থিতিতে এদিন কেন্দ্র জানিয়েছে,' একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিছু বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে এখানে রাজ্য সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।'ফলত, কেন্দ্র বলছে, তারা বাণিজ্যিক এলপিজি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, রাজ্যের ওপর এর বিতরণ অনেকটাই নির্ভর করছে।
ইতিমধ্যেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য জুড়ে এলপিজির কালোবাজারি রুখতে অফিসারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। নজরদারি জারি রাখার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রও কার্যত একই সুরে এদিন জানিয়েছে, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা মজুদদারি বা কালোবাজারি এড়াতে চাই।’ কেন্দ্র বলছে, ‘ভারত তার চাহিদার প্রায় ৬০% এলপিজি আমদানি করে এবং প্রায় ৯০% আমদানি আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে - ইরান, ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষের পর গত ১৩ দিন ধরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেওয়া জলপথটি।’ এরই সঙ্গে কেন্দ্রের তরফে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি সুজাতা শর্মা বলছেন, ‘আমরা জানি যে আমরা আমাদের প্রায় ৬০% এলপিজি আমদানি করি এবং এর বেশিরভাগই, প্রায় ৯০%, হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। তাই এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি, কিন্তু সরকার দেশীয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’
এদিকে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন ইরানের নয়া সুপ্রিম নেতা মোজতাবা। তিনি বলেন,' হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হাতিয়ারটি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে, এবং প্রয়োজনে অন্যান্য ফ্রন্টও খুলতে হবে।' ইরানের প্রতিবেশী দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও তাতে ইরানের এপর্যন্ত চলা হামলা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাই শোনা যায় খামেনি পরিবারের এই সদস্যের মুখে। মোজতাবা বলেন,'আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি, কিন্তু আমরা আমেরিকান ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করব এবং অনিবার্যভাবে (হামলা) চালিয়ে যাব।' তিনি বলেন, 'আমরা শহিদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে পিছপা হব না।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper











