China Company shut down in Pakistan: বিনিয়োগ করতে চাইলে সাবধান! সতর্কবার্তা দিয়ে পাকিস্তানে ব্যবসা বন্ধ চিনা সংস্থার
CPEC Latest Update: পাকিস্তানে ব্যবসায়িক পরিবেশ না থাকা, প্রশাসনিক বাধা, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং রফতানিতে বাধার কথা উল্লেখ করে নিজেদের কারখানা বন্ধ করল চিনা একটি সংস্থা।
China Company shut down in Pakistan: ইরান যুদ্ধের মাঝে সংযুক্ত আরব আমিরাত মোটা অঙ্কের ঋণ ফেরাতে বলে বিপাকে ফেলে পাকিস্তান। এদিকে ইরান-আমেরিকার মধ্যে মধ্যস্থতা করতে গিয়ে চিনের সঙ্গেও সম্পর্কে কিছুটা শীতলতা এসেছে পাকিস্তানের। এই আবহে চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর নিয়ে অনিশ্চয়তার মেঘ ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে। সেই সংকটকে আরও গভীর করে দিয়ে পাকিস্তান থেকে চলে যাচ্ছে চিনের একটি সংস্থা।

গোয়াদার ফ্রি জোনে থাকা তাদের কারখানা বন্ধ করেছে চিনা 'হ্যাঙ্গেং ট্রেড কোম্পানি'। গত ১ মে পাকিস্তানে নিজেদের ব্যবস্থা স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে তারা। পাকিস্তানে ব্যবসায়িক পরিবেশ না থাকা, প্রশাসনিক বাধা, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং রফতানিতে বাধার কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সমস্যাগুলির জেরে গত তিন মাসে চিনা সংস্থাটিকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে বলেও জানানো হয়। এই আবহে আন্তর্জাতিক শ্রম দিবসেই বিবৃতি জারি করে সংস্থার সব কর্মীদের ছাঁটাই করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
সংস্থাটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আন্তর্জাতিক রফতানি মান পূরণ করা সত্ত্বেও তাদের রফতানি আটকে রাখা হয়েছে। এর জেরে ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। এদিকে গোয়াদারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে সব অনিশ্চয়তা রয়েছে, সেই সম্পর্কে ভবিষ্যতের বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছে তারা।
প্রসঙ্গত, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ পরিকল্পনার ঘোষণা করেছিলেন। সেই পরিকল্পনারই অন্তর্গত এই চিন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর প্রকল্পটি। গোয়াদারে বন্দরকে ব্যবহার করে পাকিস্তান দিয়ে চিনে পণ্য আমদানি করা বা এই রুটে চিনা পণ্য রফতানি করাই ছিল বেজিংয়ের লক্ষ্য। তবে বিগত দিনে বালোচিস্তান এবং সিন্ধু প্রদেশে একাধিক চিনা নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে জঙ্গি হামলায়। আবার সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে পাকিস্তানের। বালোচিস্তানের এলাকায় রেয়ার আর্থ মিনারেলস আমেরিকাকে দিতে চায় পাকিস্তান। এই বিষয়টি স্বভাবতই চিনকে অস্বস্তিতে ফেলবে। এই সবের মাঝে একটি চিনা সংস্থা 'সতর্কবাণী' দিয়ে পাকিস্তান থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


