CJP convenor: 'ইয়ে জীবন হ্যায়...,' মহারাষ্ট্রে এফআইআর দায়ের হতেই ইঙ্গিতবাহী বার্তা CJP প্রতিষ্ঠাতার
CJP convenor: এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে আউসা থানার পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-র একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে।
CJP convenor: এক সরকারি স্কুলে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ, পঠনপাঠন ব্যাহত করা এবং শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা (CJP convenor) অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে (Abhijeet Dipke)। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় (Latur)। এই এফআইআরে অভিজিৎ দীপকের পাশাপাশি দলের আরও কর্মীদের নামও রয়েছে। আউসা থানায় স্থানীয় এক শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আর এফআইআর দায়ের হতেই একেবারেই নিজস্ব ও ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা।

তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ কিংবদন্তি কিশোর কুমারের কালজয়ী গান ‘ইয়ে জীবন হ্যায়’-এর অন্তরা জুড়ে ভিডিও শেয়ার করেছেন অভিজিৎ দীপকে। জীবনে এমন ওঠা-পড়া চলতেই থাকে—সেই বার্তাই তুলে ধরে তিনি গানের লাইনে উল্লেখ করেন: 'ইয়ে জীবন হ্যায়, ইস জীবন কা, ইহি হ্যায়—ইহি হ্যায়—ইহি হ্যায় রংরূপ।' এখানেই শেষ নয়, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও এফআইআর-এর খবরের প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় 'ওহ্ মাই গড' মিম জুড়ে পোস্ট করেন তিনি। সেখানেও ব্যাকগ্রাউন্ডে কিশোর কুমারের একই গান ব্যবহার করে গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন অভিজিৎ দীপকে।
ঘটনার সূত্রপাত
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযানের অংশ হিসেবে অভিজিৎ বেশ কয়েকদিন ধরে লাতুর জেলার একাধিক সরকারি বিদ্যালয় পরিদর্শন করে সেগুলির বিভিন্ন খামতি জনসমক্ষে তুলে ধরছিলেন। তবে অভিযোগকারী শিক্ষকের দাবি, সম্প্রতি আউসা থানা এলাকার একটি স্কুলে অভিজিত-সহ আরও সিজেপি কর্মীরা কর্তৃপক্ষের কোনও অনুমতি ছাড়াই জোর করে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়েন। শুধু তাই নয়, তাঁরা পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন এবং পুরো ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করেন। অভিযোগে আরও জানানো হয়, এই আচরণের ফলে স্কুলের শিক্ষা পরিবেশ ও সরকারি কাজকর্ম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিজিত স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেন বলে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে স্কুলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিজিত অভিযোগ তুলেছিলেন যে, পরিদর্শনের সময় ভিড় দেখাতে অন্য স্কুল থেকে পড়ুয়া এনে বসানো হয়েছিল ওই স্কুলে। পাশাপাশি, উপস্থিত শিক্ষকদের বরখাস্ত করারও হুমকি দেন তিনি।
এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে আউসা থানার পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-র একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা দিতে বলপ্রয়োগ, বেআইনি অনুপ্রবেশ, অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মানহানির ধারা। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
E-Paper

