CJP Inner Clash Update: CJP-তে অন্তর্দ্বন্দ্ব, অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নতুন দল গড়ার ঘোষণা

দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট। তিনি নতুন গোষ্ঠীর নাম দিয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি-ডেমোক্র্যাটিক’ বা CJP-D। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের সাফল্যের পরেই সংগঠনের চরিত্র বদলে গিয়েছে।

Published on: Sep 4, 2026, 08:06:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা বলেছিল ককরোচ জনতা পার্টি বা CJP। কিন্তু আন্দোলনের সাফল্যের পরেই সেই দলেই দেখা দিল ভাঙন। দলের এক সদস্য প্রকাশ্যে অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন। শুধু তাই নয়, আলাদা সংগঠন তৈরির ঘোষণাও করলেন তিনি।

দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট। (HT_PRINT)
দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট। (HT_PRINT)

দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন মণীশ ব্রহ্মভট্ট। তিনি নতুন গোষ্ঠীর নাম দিয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি-ডেমোক্র্যাটিক’ বা CJP-D। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের সাফল্যের পরেই সংগঠনের চরিত্র বদলে গিয়েছে।

‘আন্দোলন ছিল দেশের, সাফল্য বিক্রি হয়ে গেল’

মণীশের দাবি, আন্দোলন সফল হওয়ার পর ১২ সদস্যের একটি টিম তৈরি করা হয়। কিন্তু সেই টিম গঠনের আগে মাঠে থাকা কর্মী বা পড়ুয়াদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার স্বেচ্ছাসেবকদেরও মত নেওয়া হয়নি। এমনকি আন্দোলনে সক্রিয় থাকা বহু মুখকেও বাদ দেওয়া হয়েছে সেই টিম থেকে। মণীশের দাবি, জাতীয় পর্যায়ে নতুন যে দল গঠন করা হয়েছে, তাতে থাকা আট জনেরই আম আদমি পার্টির সঙ্গে যোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা দলটিই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের রাজনৈতিক স্বার্থ মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।

একাধিক দলের তরুণরা ছিলেন আন্দোলনে

মণীশ আরও দাবি করেছেন, ককরোচ পার্টির আন্দোলনে নানা রাজনৈতিক মতের যুবক যুবতীরা যোগ দিয়েছিলেন। শিবসেনা, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, বিজেপি, কংগ্রেস এবং এনসিপি-ঘনিষ্ঠ তরুণদেরও দেখা গিয়েছিল আন্দোলনে। তাঁর অভিযোগ, নতুন পদাধিকারীদের তালিকায় তাঁদের কাউকেই জায়গা দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়। মহিলা, শিখ এবং মুসলিম প্রতিনিধিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে আন্দোলনের মূল দাবি ছিল মেধা ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো, সেই আন্দোলনের নেতৃত্বেই এখন যোগ্যতার বদলে অন্য হিসাব কাজ করছে।

‘CJP-D হবে গণতান্ত্রিক’

নতুন গোষ্ঠীকে আরও গণতান্ত্রিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মণীশ। তাঁর দাবি, দেশের প্রতিটি রাজ্য থেকে স্থানীয় আন্দোলনকারী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে পাঁচ জন করে প্রতিনিধি বেছে নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, সংগঠনের সিদ্ধান্তে যাতে কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া প্রভাব না থাকে, সেটাই হবে CJP-D-র লক্ষ্য।

অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন অভিজিৎ

তবে মণীশের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছেন অভিজিৎ দীপক। কেজরীওয়ালের সঙ্গে কোনও গোপন সমঝোতার অভিযোগও তিনি মানেননি। অভিজিতের বক্তব্য, CJP কোনও রাজনৈতিক দলের ‘বি টিম’ নয়। তিনি বলেন, কেউ তাঁদের কংগ্রেসের ‘বি টিম’ বলছেন। আবার কেউ বলছেন আম আদমি পার্টির ‘বি টিম’। তাঁর কথায়, 'আমরা শুধু ছাত্রদের ‘এ টিম’।' অর্থাৎ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত কিছু দিন আগেই দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যের প্রতিবাদ ঘিরে অভিজিৎ দীপকের উদ্যোগে অনলাইনে এই আন্দোলনের শুরু। এর পর দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। বহু মানুষ যুক্ত হন এর সঙ্গে। পরে দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে সামনে রেখে আন্দোলনে নামে সংগঠনটি। আন্দোলনের সাফল্যের পর CJP-কে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়ে। কিন্তু সাফল্যের পরেই সামনে এল অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এখন বড় প্রশ্ন, মণীশের তৈরি নতুন গোষ্ঠী কতটা শক্তিশালী হয়।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More