Tamil Nadu News: মর্মান্তিক! শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ, চরম পদক্ষেপ দশম শ্রেণির ছাত্রীর
Tamil Nadu News: পরিবারের অভিযোগ, শিক্ষকের কাছ থেকে এহেন আচরণ পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল ওই ছাত্রী। জগদেশন নামে অভিযুক্ত শিক্ষককে ইতিমধ্যে শিশু যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ আইন বা পকসো আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
Tamil Nadu News: শিক্ষাই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি, আর শিক্ষক সেই পথের পথপ্রদর্শক। পড়ুয়াদের শুধু পুঁথিগত শিক্ষা দেওয়া নয়, জীবনের ভালো-মন্দ, ভুল- ঠিকের পার্থক্যও শেখান তাঁরাই। অভিভাবকদের বিশ্বাস থাকে, স্কুলের চৌহদ্দির মধ্যে সন্তান নিরাপদেই থাকবে। কিন্তু সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধেই যখন ওঠে যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ, তখন প্রশ্ন ওঠে স্কুলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে। তামিলনাডুতে এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে আত্মঘাতী হয়েছেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী। ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।

জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর কাল্লাকুরিচি জেলায় স্কুলে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সেই অপমান সহ্য করতে না পেরেই নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হয়েছেন দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, শিক্ষকের কাছ থেকে এহেন আচরণ পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল ওই ছাত্রী। জগদেশন নামে অভিযুক্ত শিক্ষককে ইতিমধ্যে শিশু যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ আইন বা পকসো আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তদন্তে জানা গিয়েছে শিক্ষক ছাত্রীকে অশালীনভাবে স্পর্শ করেছিলেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে তিনি বলেন, 'ওই শিক্ষক ছাত্রীকে অশালীনভাবে স্পর্শ করেছিলেন, খারাপভাবে স্পর্শ করেছিলেন, আমরা নিশ্চিত হয়েছি।' পুলিশ বর্তমানে নাবালিকার মৃত্যুর কারণ এবং শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত করছে। তবে নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, স্কুলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? অভিযোগ জানানোর জন্য তাদের কাছে নিরাপদ ও সহজ ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।
এদিকে, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন-সহ বিরোধীদের তোলা লাগাতার অভিযোগের জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। তামিলনাড়ু বিধানসভায় বিভিন্ন দফতরের বাজেট বরাদ্দের (ডিমান্ড ফর গ্র্যান্টস) আলোচনায় অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, প্রতিটি অপরাধের ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা সংকট হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া যায় না। বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলাকে দেখার সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাঁর সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো অপরাধ প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি সুনিশ্চিত করা। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যে ঘটে যাওয়া সমস্ত অপরাধকে তাঁর সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া অযৌক্তিক। এই প্রসঙ্গে পূর্বতন ডিএমকে (DMK) সরকারকে সরাসরি নিশানা করে তিনি দাবি করেন, মাদক অপব্যবহার ও চোরাচালান রুখতে আগের সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, যার দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর চাপানো যায় না।
E-Paper

