Communal Harmony on Eid-Ekadashi: একাদশীর জন্য কোরবানি পিছিয়ে দিলেন মুসলিমরা, নজির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির

আজ আষাঢ়ী একাদশী। এই আবহে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখেই স্থানীয় বহু মুসলিম পরিবার কোরবানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, পন্ধরপুর মহারাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শহর। আষাঢ়ী একাদশীর সময় সেখানে লক্ষাধিক ভক্ত সমবেত হন ভগবান বিঠোবার মন্দিরে দর্শনের জন্য।

Published on: May 28, 2026, 12:20:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলার পন্ধরপুর শহরে সম্প্রীতির এক অনন্য চিত্র উঠে এল। ইদ-উল-আজহা উপলক্ষে কোরবানির সময় পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়। উল্লেখ্য, আজ আষাঢ়ী একাদশী। এই আবহে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখেই স্থানীয় বহু মুসলিম পরিবার কোরবানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখেই স্থানীয় বহু মুসলিম পরিবার কোরবানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। (PTI)
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখেই স্থানীয় বহু মুসলিম পরিবার কোরবানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। (PTI)

জানা গিয়েছে, পন্ধরপুর মহারাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শহর। আষাঢ়ী একাদশীর সময় সেখানে লক্ষাধিক ভক্ত সমবেত হন ভগবান বিঠোবার মন্দিরে দর্শনের জন্য। সেই আবহেই ইদ-উল-আজহার সময় কোরবানির বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছিল। পরে এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ সিদ্ধান্ত নেয়, একাদশীর দিন কোরবানি না করে তা পরে করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় মুসলিম নেতারা জানিয়েছেন, বহু বছর ধরেই পন্ধরপুরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যের পরিবেশ রয়েছে। একাদশীর সময় শহরে বিশাল সংখ্যক ভক্ত আসেন। তাঁদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের তরফেও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রশাসনের তরফেও শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছিল। সেখানে উৎসবগুলি শান্তিপূর্ণভাবে পালনের উপর জোর দেওয়া হয়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, পন্ধরপুরে এই ধরনের পারস্পরিক বোঝাপড়া নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন উৎসবের সময়ে দুই সম্প্রদায় একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা দেখিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেকেই একে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। বর্তমানে উৎসবের মরসুমে শান্তি বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More