Sir Garry Sobers: অপরাজিত ৩৫৬, প্রথম ব্যাটার হিসাবে ৬ বলে ছক্কা..রয়ে গেল স্মৃতি, প্রয়াত সোবার্স, বয়স হয়েছিল ৮৯

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন অধিনায়ক সোবার্স, সেদিন রোহিত ও কোহলি,উভয়ের সঙ্গেই কথা বলে সময় কাটিয়েছিলেন এবং ভারতের তৎকালীন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় তাঁকে তরুণ শুভমন গিলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। বিভিন্ন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে এটি ছিল এক সহজ ও সম্মানপূর্ণ কথোপকথন।

Published on: Jul 17, 2026, 23:27:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে হাতেখড়ি ১৬ বছর বয়সে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ২২ গজ মাতিয়েছেন ৩৮ বছর বয়স পর্যন্ত। এই সময়কাল স্যার গ্যারি সোবার্স ক্রিকেট বিশ্বকে দিয়েছেন ক্রিকেটের একের পর এক ঐতিহাসিক পর্ব! এদিন সেই গ্যারি সোবার্স চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৮৯ বছর বয়সে এদিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গ্যারি সোবার্স।

অপরাজিত ৩৫৬, প্রথম ব্যাটার হিসাবে ৬ বলে ছক্কা..রয়ে গেল স্মৃতি, প্রয়াত সোবার্স
অপরাজিত ৩৫৬, প্রথম ব্যাটার হিসাবে ৬ বলে ছক্কা..রয়ে গেল স্মৃতি, প্রয়াত সোবার্স

স্যার গারফিল্ড সোবার্স, জন্ম ওয়েস্ট ইন্ডিজের বারবাডোসে। যাঁকে ঘিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট, বিশ্বে একাধিক গর্বের অধ্যায় রচনা করেছে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে পরিবারে গ্যারি ছিলেন পঞ্চম সন্তান। জন্মের পর তাঁর দুই হাতের প্রত্যেকটিতে বাড়তি একটি করে আঙুল ছিল গ্যারির। এমনই একাধিক তথ্য ক্রিকেটের এই কিংবদন্তীকে ঘিরে উঠে আসে। ৫ বছর বয়সে বাবাকে হারানো গ্যারি, কোনও মতেই জীবনে আসা চ্যালেঞ্জের কাছে হার মানতে চাননি।

১৯৩৬ সালে জন্মানো গ্যারির ক্রিকেট বিশ্বে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় ১৬ বছরেই। এরপর ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্যত ঝড় তুলে দিয়েছিলেন ২২ গজ কাঁপানো গ্যারি সোবার্স। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই টেস্টে ৩৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা। তৈরি হয় রেকর্ড, টেস্টে এককভাবে এত রান করা ক্রিকেটার হিসাবে এই বিরল রেকর্ডের মালিক হন গ্যারি।পরে ১৯৯৪ সালে ভেঙেছিলেন গ্যারিরই দেশের অপর কিংবদন্তী, তাঁর নাম ব্রায়ান লারা! এককালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসাবে এক ওভারে ছ’টি ছয় মেরেছিলেন সোবার্স, সেই ঘটনা যুবরাজ-ফ্লিনটফ জমানার বহু আগে!

১৯৭৪ সালে ৩৮ বছর বয়সে ক্রিকেট বিশ্বকে বিদায় জানান সোবার্স। তাঁর অবসরের পর উইসডেন লিখেছিল, ‘সোবার্স মানসিক এবং শারীরিক ভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। যে ক্রিকেট তাঁর জীবনের সমান ছিল, সেই ক্রিকেট সম্পর্কেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। হাঁটুরও চরম ক্ষতি হয়েছিল। নিজের প্রতিভার শিকার হয়েছিলেন সোবার্স।’

রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির জীবনের এক বিশেষ টেস্টে ছিল বারবাডোসে। ম্যাচের আগে ভারতীয়দের অনুশীলনের সময় মাঠে পৌঁছল সোবার্স। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। সেই দিনেও সোবার্সকে ঘিরেও রয়েছে এক স্মৃতিমেদুর ঘটনা। সোবার্স ও তাঁর স্ত্রী ভারতীয় দলের অনুশীলনের একটি সেশন দেখতে গিয়েছিলেন। বর্তমান সময়ের তারকা খেলোয়াড়রা তাঁর কাছে ছুটে আসবে,এমনটা প্রত্যাশা না করে সোবার্স গ্যালারি থেকে পুরো অনুশীলনটি দেখেন এবং সেশন শেষ হওয়ার পর মাঠে নেমে আসেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন অধিনায়ক সোবার্স, সেদিন রোহিত ও কোহলি,উভয়ের সঙ্গেই কথা বলে সময় কাটিয়েছিলেন এবং ভারতের তৎকালীন প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় তাঁকে তরুণ শুভমন গিলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। বিভিন্ন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে এটি ছিল এক সহজ ও সম্মানপূর্ণ কথোপকথন।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More