Nepal Flash Flood: আকস্মিক বন্যার ক্ষত কাটিয়ে উঠতে কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন! বিস্ফোরক নেপালের অর্থমন্ত্রী

Nepal Flash Flood: নেপালের অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাঙ্ক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক-সহ বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলো মানবিক প্রয়োজনে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভারত ও চিনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোও পণ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে

Published on: Aug 28, 2026, 23:27:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Nepal Flash Flood: নেপালের (Nepal) রাসুয়া (Rasuwa) জেলায় ভোটে কোশী নদীতে নেমে আসা হড়পার প্রায় ৫৬ ঘণ্টা কেটে গেলেও কাটেনি দুর্যোগের রেশ। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে সে দেশে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী উদ্ধারের কাজে নামলেও মৃতদেহের স্তূপে উপচে পড়ছে হাসপাতাল ও মর্গ, মিলছে না দেহ সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গাও। এই আবহে নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে বলেছেন, প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ হিসাব করা হলে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্তত কয়েক বিলিয়ন ডলার হতে পারে। তাঁর দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত কাঠামো পুনর্নির্মাণের জন্য নেপালের একটি 'বিকল্প তহবিল সংগ্রহ অভিযান' প্রয়োজন হবে।

আকস্মিক বন্যার ক্ষত কাটিয়ে উঠতে কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন! বিস্ফোরক নেপালের অর্থমন্ত্রী (PTI)
আকস্মিক বন্যার ক্ষত কাটিয়ে উঠতে কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন! বিস্ফোরক নেপালের অর্থমন্ত্রী (PTI)

সংবাদমাধ্যম 'ব্লুমবার্গ টেলিভিশন'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেপালের অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমার মনে হয়, সপ্তাহখানেকের মধ্যে যখন চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করা হবে, তখন তার মোট পরিমাণ অন্তত কয়েক বিলিয়ন ডলার হবে।' তিনি এই প্রাথমিক হিসাবকে 'উদ্বেগজনক' বলে বর্ণনা করেছেন। নেপাল বন্যায় উদ্ধারকাজ প্রসঙ্গে স্বর্ণিম ওয়াগলে বলেন, অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ-সহ দুর্যোগ মোকাবেলার প্রথম পর্যায় চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে নেপালি সরকার অস্থায়ী আশ্রয় প্রদান এবং খাদ্য, বিশুদ্ধ জল, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের মতো অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে।

নেপালের অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাঙ্ক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক-সহ বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলো মানবিক প্রয়োজনে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভারত ও চিনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোও পণ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। মন্ত্রী ওয়াগলের মতে, বিশ্বব্যাঙ্ক অন্যান্য প্রকল্পের অব্যয়িত তহবিলের অন্তত ১০ শতাংশ মানবিক প্রয়োজনে প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা প্রায় ১৬০ মিলিয়ন ডলারের সমতুল্য। এদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (এডিবি) ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে সর্বাত্মক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত ওষুধ, তাঁবু এবং সৌরশক্তিচালিত আলো-সহ ১০ টনেরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে। ২৭ আগস্ট, ভারত বিমানবাহিনীর ভারী পরিবহন বিমান ব্যবহার করে আরও ৩৫ টন ত্রাণ সামগ্রী পরিবহন অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে নেপালি ধনকুবের বিনোদ চৌধুরী পুনর্গঠন ব্যয় ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালে অবাক হবেন না বলে মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর চৌধুরী গ্রুপ খাদ্য ও টেলিযোগাযোগ থেকে শুরু করে কাঠামো ও ব্যাঙ্কিং পর্যন্ত ১২টি খাতে কাজ করে। এরপরেই নেপালের অর্থমন্ত্রী এই বক্তব্য সামনে আসে। তিনি বলেন, নেপাল সরকার এই দুর্যোগের ফলে বৈদেশিক অর্থের উপর প্রভাব এবং সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) সঙ্গেও আলোচনা করবে।