Family Dispute over LPG Gas Cylinder: রান্নার গ্যাস কম খরচ করতে বলেছেন শাশুড়ি, থানায় ছুটলেন বউমা, বাঁধল লঙ্কাকাণ্ড!
ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের জেরে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলপিজি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর সেই রান্নার গ্যাস ব্যবহার করা নিয়ে শাশুড়ি এবং বউমার মধ্যে লঙ্কাকাণ্ড বেঁধে গেল। কী হল তারপর?
গার্হস্থ্য কলহ বা পারিবারিক সংঘাত নতুন কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী জেলার বেভার থানা এলাকায় সম্প্রতি যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুনে হতবাক নেটিজেনরা। রান্নার গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডারকে কেন্দ্র করে যে বিবাদ থানা পর্যন্ত গড়াতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। সংবাদমাধ্যম লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে ওই বাড়িতেও পড়েছে। বউমাকে গ্যাস কম খরচ করতে বলেন শাশুড়ি। তারপরই থানায় চলে যান বউমা।

গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে শাশুড়ি বনাম বউমা
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্যাস যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার জেরে শাশুড়ি বউমাকে বলেছিলেন যে এই কয়েকদিন যেন কম এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। পরিবর্তে উনুনে খাবার বানান। যাতে দরকারের জন্য় গ্যাস বাঁচিয়ে রাখা যায়। কারণ শাশুড়ি দাবি করেন, তিনি দেখেছেন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কিছুটা সতর্কভাবে গ্যাস ব্যবহার করতে হবে।
যদিও শাশুড়ির সেই যুক্তি মানতে চাননি বউমা। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বউমা পালটা যুক্তি দেন যে তিনি খবরে দেখেছেন যে দেশে গ্যাসের কোনও অভাব নেই। তাঁর মনে হট্ঠে যে শাশুড়ি তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিরক্ত করার জন্য পুরনো দিনের উনুনে রান্না করতে চাপ দিচ্ছেন।
পুলিশের কাছে পৌঁছায় বিষয়টি
সেখান থেকেই দেখতে-দেখতে বাড়ির সাধারণ বিবাদ একটি হাই-ভোল্টেজ নাটকে পরিণত হয়। থানায় নিয়ে পুলিশে শাশুড়ির নামে 'অভিযোগ' করেন বউমা। পুরো ঘটনায় পুলিশ কর্মীরাও থতমত খেয়ে যান। সাধারণত জমি-জমা বা বড় কোনও অপরাধের অভিযোগ নিয়ে মানুষ থানায় আসেন, কিন্তু শুধুমাত্র রান্নার গ্যাসের ঘাটতি নিয়ে এমন আচরণ দেখে পুলিশ আধিকারিকরা অবাক হন।
পুলিশের ভূমিকা ও সমাধান
তারইমধ্যে পুলিশ শাশুড়িকে ডেকে পাঠায়। শাশুড়ি বলেন যে তিনি কেবল সংকটের কারণে সাশ্রয় করতে চেয়েছিলেন। পুলিশকর্মীরা বউমাকে বোঝান যে এটি কোনও ফৌজদারি মামলা নয়, বরং পারিবারিক বোঝাপড়ার বিষয়। পুলিশ হালকা চালে উভয়কেই বোঝায় যে এত ছোট বিষয়ে পুলিশের কাছে আসার পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে বসে সমাধান বের করা উচিত। অবশেষে পুলিশ উভয়কেই বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দেয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


