Salim Dola: তুরস্কে আটক করে ভারতে ফেরানো হল দাউদ ঘনিষ্ঠ মাদক পাচারকারী সেলিম দোলাকে
Salim Dola: ভারতের বৃহত্তম সিন্থেটিক ড্রাগ উৎপাদন এবং সরবরাহ কার্টেলগুলির পিছনে মাস্টারমাইন্ড বলে চিহ্নিত এই সেলিম দোলা। অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে এই সেলিমকে আদালত জামিন দিয়েছিল। তারপরে দাউদ ঘনিষ্ঠ এই মাদক পাচারকারী পালিয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
Salim Dola: দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং মাদক সম্রাট সেলিম দোলাকে ভারতে নিয়ে আসা হল। মঙ্গলবার দিল্লির একটি টেকনিক্যাল এয়ারপোর্টে তাকে নিয়ে আসা হয় একটি বিশেষ বিমানে। এই মাদক পাচারকারীকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। মাদক মামলার মূল অভিযুক্ত সেলিম। মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সেই মামলার তদন্ত করছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তুরস্কের ইস্তানবুলে আটক করা হয়েছিল সেলিম দোলাকে। ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিশের ভিত্তিতে তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি এবং স্থানীয় পুলিশ ইউনিটের যৌথ অভিযানে সেলিমকে আটক করা হয়েছিল। মুম্বই পুলিশের তরফ থেকে ইন্টারপোলের কাছে সিবিআই অনুরোধ জানিয়েছিল সেলিমকে ধরার জন্য। এদিকে ভারত ও তুরস্কের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই এবং সেলিম দোলা সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাসপোর্টধারী।
ভারতের বৃহত্তম সিন্থেটিক ড্রাগ উৎপাদন এবং সরবরাহ কার্টেলগুলির পিছনে মাস্টারমাইন্ড বলে চিহ্নিত এই সেলিম দোলা। অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে এই সেলিমকে আদালত জামিন দিয়েছিল। তারপরে দাউদ ঘনিষ্ঠ এই মাদক পাচারকারী পালিয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সেখানে অন্য নামে একটি পাসপোর্ট বানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তুরস্কে চলে যায়।
কে এই সেলিম দোলা? সেলিম দোলা ঘোড়াপদেওর একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিল এবং বাইকুল্লায় বেড়ে ওঠে। ছোটা শাকিলের সাথে বন্ধুত্ব ছিল তার। ছোটা শাকিলের হাত ধরেই মাদক ব্যবসায় প্রবেশ করেছিল সেলিম। তখন সে দাউদ ইব্রাহিমের গ্যাংয়ের অংশ ছিল। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, প্রথমে মুম্বই ও দিল্লিতে গুটখা সরবরাহ শুরু করে দোলা। পরবর্তীতে গুটখা থেকে গাঁজা সরবরাহের কাজ শুরু করে সেলিম। ২০১৮ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পালিয়ে যাওয়ার আগে সেলিম দোলাকে ভারতে মাদক মামলায় তিনবার গ্রেফতার করা হয়েছিল।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


