Matthew VanDyke: মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ! সেই মার্কিন ‘ভাড়াটে’ সেনাকে ফের দেশে ফেরার অনুমতি আদালতের

Matthew VanDyke: চলতি বছরের ১৩ মার্চ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক ও ওই ছয় ইউক্রেনীয়কে গ্রেফতার করে। তাঁরা হলেন ম্যাক্সিম হনচারুক, পেত্রো হুবরা, ইভান সুকমানভস্কি, মারিয়ান স্তেফানকিভ, তারাস স্লিভিয়াক এবং ভিক্টর কামিনস্কি।

Published on: Oct 23, 2026, 21:00:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Matthew VanDyke: মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ও ড্রোন যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে ভারতে গ্রেফতার হওয়া মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইককে (Matthew VanDyke) ফের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। শুনানিতে অংশ নিতে ভারতে ফিরে এসেছিলেন তিনি। একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককেও আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ভারতের বাইরে থাকার অনুমতি দিয়েছেন বিচারক।

মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক (HT_PRINT)
মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক (HT_PRINT)

চলতি বছরের ১৩ মার্চ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইক ও ওই ছয় ইউক্রেনীয়কে গ্রেফতার করে। তাঁরা হলেন ম্যাক্সিম হনচারুক, পেত্রো হুবরা, ইভান সুকমানভস্কি, মারিয়ান স্তেফানকিভ, তারাস স্লিভিয়াক এবং ভিক্টর কামিনস্কি। অভিযোগ ছিল, তাঁরা মিজোরাম হয়ে মায়ানমারে প্রবেশ করে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন পরিচালনা, অ্যাসেম্বলিং এবং জ্যামিং প্রযুক্তির বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর আদালত ভ্যানডাইককে জামিন দেয় এবং সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি তিহার জেল থেকে মুক্ত হন। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাঁদের এক মাসের জন্য দেশে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল আদালত। তবে একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভারতে ফিরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। দেশে ফেরার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালতকে বিষয়টি জানানোও বাধ্যতামূলক ছিল।

সেই নির্দেশ মেনেই আদালতের শুনানিতে অংশ নিতে ভারতে ফিরে এসেছিলেন ভ্যানডাইক। শুক্রবার আদালতে হাজিরা দেন তিনি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভ্যানডাইককে জামিন দিয়েছিল এনআইএ-এর বিশেষ আদালত। তদন্তকারী সংস্থা ৮ সেপ্টেম্বর যে চার্জশিট জমা দিয়েছিল, তা অসম্পূর্ণ বলে জানায় আদালত। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফের তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত।

এর আগে ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু করে এনআইএ। কিন্তু সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখে এনআইএ যে চার্জশিট দাখিল করে, তাতে শুধু ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্টের ২১ ও ২৩ ধারা প্রয়োগ করা হয়। ইউএপিএ ধারাগুলো বাদ দেওয়া হয়, যদিও সংস্থা জানায় যে এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর বিশেষ এনআইএ জজ প্রশান্ত শর্মা ডিফল্ট জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ভ্যানডাইক ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসকে ৫.৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দেন বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ইউএপিএ-র আওতায় অপরাধের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের স্থানীয় কেউ সাহায্য করেছিলেন কিনা, তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। বর্তমানে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও কারও যোগ রয়েছে কিনা এবং ভারতে এদের কার্যকলাপ কতটা বিস্তৃত ছিল, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।