Khalistan issue: সুড়ঙ্গ,ড্রোন দিয়ে বিস্ফোরক পাচার! খলিস্তানি সংগঠনকে পাক ISIর মদতের পর্দাফাঁস পুলিশি চার্জশিটে
অভিযোগ আর্শ, খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে তরুণদের যুক্ত করত এবং বিভিন্ন সংস্থার মতে, তার পুরো নেটওয়ার্কটি পাকিস্তানে অবস্থানরত আইএসআই হ্যান্ডলারদের নির্দেশে পরিচালিত হত।
সদ্য মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস দাবি করে, ২০২৩ সালে কানাডায় খলিস্তানপন্থী হরদীপ নিজ্জরের খুনের নির্দেশ এসেছিল লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংর তরফে। এরপরই সদ্য দিল্লি পুলিশের এক চার্জশিটে উঠে এল আরও এক গ্যাংস্টার আর্শ ডাল্লার নাম। চার্জশিট বলছে, এই আর্শ ডাল্লা, হরদীপের কথাতেই ভারত থেকে কানাডা উড়ে যায়। প্রসঙ্গত, ভারত থেকে কানাডায় যেতেই এই গ্যাংস্টার আর্শ ডাল্লা, খলিস্তান টাইগার ফোর্স বা কেটিএফ-র সদস্য হয়। বর্তমানে ইএপিএর আওতায় ডাল্লা, ভারতের সন্ত্রাসবাদীদের তালিকায় রয়েছে। দিল্লি পুলিশের চার্জশিটে, ডাল্লা ছাড়াও উঠে এসেছে পাকিস্তানের আইএসআই-র প্রসঙ্গ। চার্জশিট দাবি করছে, খলিস্তানি ,সংগঠন কেটিএফকে মদত দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের গুপ্তচর এজেন্সি।
এনডিটিভির রিপোর্ট দাবি করছে, দিল্লি পুলিশের চার্জশিট বলছে, কেটিএফকে বিভিন্নভাবে মদত যুগিয়েছে পাকিস্তানের গুপ্তচর এজেন্সি আইএসআই। ভারতে থাকা নেটওয়ার্কের সদস্যদের অস্ত্র, ডিটোনেটর, বিস্ফোরক পাঠিয়েছে পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডেলাররা। আর তা এসেছে কখনও ভারত-পাকিস্তানের সীমান্ত লাগোয়া গোপন সুড়ঙ্গ পথে, কখনও আবার তা এসেছে ড্রোন মারফৎ। এছাড়াও ড্রোন দিয়ে বিপুল পরিমাণ হেরোইন সহ বিভিন্ন মাদক পাচার হয়েছে ড্রোন দিয়ে। সেই সমস্ত মাদক ভারতে বিক্রি করে, তার টাকা সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্য ব্যবহার হয়েছে বলেও চার্জশিট দাবি করছে। অনেক সময় তা অস্ত্র কেনা, গ্যাংস্টার নেটওয়ার্কেও খরচ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ওই চার্জশিট বলছে, বহু খলিস্তানি সংগঠনের সদস্য হয় নিষ্ক্রীয় হয়ে গিয়েছে, নয়তো অনেকে পালিয়েছে, কিম্বা বন্দি রয়েছে, এমন অবস্থায় ওই সমস্ত নেটওয়ার্কগুলি, স্থানীয় গ্যাংস্টারদের নিজেদের নেটওয়ার্কে ঢুকিয়েছে।
নথি অনুযায়ী, কানাডায় অবস্থানকালে আর্শ ডাল্লা পাঞ্জাব, দিল্লি এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যের কারাগারে বন্দি অপরাধীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতেন। সে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে তরুণদের যুক্ত করত এবং বিভিন্ন সংস্থার মতে, তার পুরো নেটওয়ার্কটি পাকিস্তানে অবস্থানরত আইএসআই হ্যান্ডলারদের নির্দেশে পরিচালিত হত। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাদক ও অস্ত্র সরবরাহের উদ্দেশে উত্তর ভারতজুড়ে সক্রিয় বেশ কয়েকটি অপরাধী চক্র আর্শ ডাল্লার মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এর ফলে ভারতের অভ্যন্তরে নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আইএসআই সুবিধা পেয়েছে। ২০২২ সালে আর্শ ডাল্লা ঘনিষ্ঠ তরনজিতের বিরুদ্ধে তৈরি দিল্লি পুলিশের চার্জশিটে এই সমস্ত তথ্য উঠে আসে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


