Delhi Protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও উত্তাল দিল্লি, আটক প্রতিবাদীরা, তিনটি FIR দায়ের
Delhi Protest: শনিবারও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। তবে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি পৌঁছতেই শুরু হয় পুলিশি ধরপাকড়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে প্রতিবাদীদের।
Delhi Protest: বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (SIR) নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার রাজধানীতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় অন্তত তিনটি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি এফআইআর পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় এবং একটি কানট প্লেস থানায় দায়ের হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ২২৩ ধারায় মামলাগুলি করা হয়েছে। এই ধারা সরকারি কর্মচারীর জারি করা নির্দেশ অমান্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনকে নির্দিষ্টভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি। তবে বিক্ষোভের আয়োজক এবং যে সংগঠনগুলি কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছিল বা তাতে অংশ নিয়েছিল, তাদের সম্পর্কে মামলার নথিতে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ হয়। বিরোধী দলের কর্মী, ছাত্র এবং যুব সংগঠনের সদস্যরা ব্যারিকেড অতিক্রম করে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ সূত্রের দাবি, এক হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। তাঁদের দিল্লি পুলিশের বাসে করে বিভিন্ন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটকদের মধ্যে ছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, এআইএসএ-র সভাপতি নেহা বোরা এবং স্বরাজ ইন্ডিয়ার নেতা যোগেন্দ্র যাদব। এছাড়াও এএপি নেতা, নাগরিক সমাজের কর্মী, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্য এবং কংগ্রেসের যুব শাখার কর্মীরাও আটক হন।
দ্বিতীয় দিনেও উত্তপ্ত যন্তর-মন্তর
সূত্রের খবর, শনিবারও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। তবে যন্তর মন্তরের কাছাকাছি পৌঁছতেই শুরু হয় পুলিশি ধরপাকড়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে প্রতিবাদীদের। এক সময়ে প্রতিবাদীদের আটক করে বাসে করে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে নিয়ে চলে যাওয়া হয়। যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এআইএসএ-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার সঙ্গে যোগ দেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল, প্রশান্ত ভূষণ, আইনজীবী ও তরুণ আন্দোলনকারীদের একাংশ। বিক্ষোভকারীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে দিতে যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে শুরু করেন। কিন্তু তার আগেই পুলিশ সেখানে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেয়। বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয় ব্যারিকেড।
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীকেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ফের দিল্লি চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আগামী ১০ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ককরোচ জনতার কর্মীরা দিল্লিতে এসে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করবেন। অভিজিৎ দীপকে বলেন, দিল্লি পুলিশ তাদের আটকানোর চেষ্টা করলে যেখানে আটকানো হবে সেখানেই প্রতিবাদ কর্মসূচি করা হবে।
E-Paper

