Delhi High Court: দিল্লি হিংসায় উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ! রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে FIR দায়েরের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে

Delhi High Court: সোমবার বিচারপতি বিবেক চৌধরী এবং বিচারপতি মনোজ জৈনের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২০ সালের হিংসা পরেই দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলি খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে উস্কানিমূলক ভাষণের পাশাপাশি কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল।

Published on: Oct 5, 2026, 23:17:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Delhi High Court: ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ‘উস্কানিমূলক ভাষণ’ দেওয়ার অভিযোগে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) তদন্তের দাবিতে করা ১৫টি মামলা খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, ওই নেতাদের ভাষণ উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিল, যার ফলে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

দিল্লি হাইকোর্ট (Representative photo) (HT_PRINT)
দিল্লি হাইকোর্ট (Representative photo) (HT_PRINT)

সোমবার বিচারপতি বিবেক চৌধরী এবং বিচারপতি মনোজ জৈনের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২০ সালের হিংসা পরেই দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলি খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে উস্কানিমূলক ভাষণের পাশাপাশি কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল। লাইভ ল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ মুজতবা নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা একটি মামলায় বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুর, প্রবেশ বর্মা এবং অভয় বর্মার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আবেদন জানানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁদের ভাষণ হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিল।

সংঘর্ষ শুরুর হওয়ার ঠিক আগে একটি জনসভায় সিএএ-বিরোধীদের নিশানা করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ভিড়কে ‘দেশদ্রোহীদের গুলি মারো’ স্লোগান দিয়ে উস্কানি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরদিন, বিজেপি নেতা প্রবেশ বর্মা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, কাশ্মীরে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সঙ্গে যা হয়েছিল, দিল্লিতেও তার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। শাহিনবাগের সিএএ-বিরোধী আন্দোলনকারীদের ইঙ্গিত করে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, ওই বিক্ষোভকারীদের একটা বড় অংশ সাধারণ মানুষের বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, আইনজীবী লরেন্স ভয়েসের আবেদনে নাম ছিল কংগ্রেস নেতা সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া, আমানাতুল্লা খান, মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ভাই আকবরউদ্দিন ওয়েইসি ও প্রাক্তন বিধায়ক ওয়ারিস পাঠানের।

সিপিআই(এম) নেত্রী বৃন্দা কারাট একটি পৃথক মামলা দায়ের করে হিংসার সময় পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র‍্যাফ) এবং অন্য সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও অন্যান্য বেআইনি কাজের স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। এছাড়া, সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে কারা অর্থ জোগান দিয়েছিল এবং মদত জুগিয়েছিল, তা নিয়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র তদন্ত চেয়েও একটি আলাদা মামলা দায়ের হয়েছিল। উল্লেখ্য, সিএএ এবং এনআরসি-র বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মাঝেই ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে অন্তত ৫৩ জন নিহত ও প্রায় ৭০০ জন আহত হন।