Delhi Pollution: দিল্লির বাতাসে হু হু করে বাড়ছে বিষ! দীপাবলিতে গুণমান সূচক 'অতি খারাপ' পর্যায়ে, আরও অবনতি...

Delhi Pollution: এদিন দিল্লির গড় বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) ছিল ৩৭৬। শহরজুড়ে ঘন ধোঁয়াশার চাদর ছড়িয়ে পড়ায় দৃশ্যমানতাও কমে যায়। আগের দিন শনিবার একিউআই ছিল ৩৬৯। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে দূষণের মাত্রা আরও বেড়েছে।

Published on: Nov 8, 2026, 22:59:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Delhi Pollution: দীপাবলির আগেই রাজধানী দিল্লির বাতাসের মান ছিল খারাপ। এর মধ্যে উৎসবের আতশবাজির ধোঁয়া, যানবাহনের দূষণ ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রবিবার, দীপাবলিতে দিনের বেলা দিল্লির বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) ছিল ৩৭৬, যা ‘অতি খারাপ’ পর্যায়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৭টার সময়েও একিউআই ৩৭০-র বেশিই ছিল। তবে দীপাবলি উদ্‌যাপনের পর সোমবার থেকে দূষণ ‘গুরুতর’ বা ‘সিভিয়ার’ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দিল্লির বাতাসে হু হু করে বাড়ছে বিষ! (AP Photo/Manish Swarup)
দিল্লির বাতাসে হু হু করে বাড়ছে বিষ! (AP Photo/Manish Swarup)

এদিন দিল্লির গড় বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) ছিল ৩৭৬। শহরজুড়ে ঘন ধোঁয়াশার চাদর ছড়িয়ে পড়ায় দৃশ্যমানতাও কমে যায়। আগের দিন শনিবার একিউআই ছিল ৩৬৯। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে দূষণের মাত্রা আরও বেড়েছে। ‘গুরুতর’ দূষণের সীমা ৪০০ হওয়ায় রাজধানীর সামগ্রিক বায়ুমান সেই পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। দিল্লিতে বাতাসের গুণমান পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৯টি নজরদারি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি কেন্দ্রে বায়ুর মান ছিল ‘মারাত্মক’ পর্যায়ে এবং ২২টিতে ছিল ‘খুব খারাপ।’ সবচেয়ে বেশি দূষণ রেকর্ড করা হয়েছে জাহাঙ্গীরপুরীতে। সেখানে একিউআই ছিল ৪৬৩।

দিল্লির বায়ুমান আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৯ নভেম্বর থেকে কয়েক দিন রাজধানীর বাতাস ‘জাহাঙ্গীরপুরীতে’ পর্যায়ে থাকতে পারে। দীপাবলির আতশবাজি থেকে নির্গত ধোঁয়ার পাশাপাশি যানবাহনের ধোঁয়া এবং প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতে ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর কারণে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের হিসেবে, একিউআই ০-৫০ থাকলে তা ‘ভাল’, ৫১-১০০ থাকলে ‘সন্তোষজনক’, ১০১-২০০-র মধ্যে হলে তা ‘মাঝারি’, ২০১-৩০০ থাকলে ‘খারাপ’, ৩০১-৪০০-র মধ্যে ‘অতি খারাপ’ এবং ৪০০ ছাপিয়ে গেলে তা ‘মারাত্মক’ বলে বিবেচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিকূল আবহাওয়াও দূষণ বাড়ার অন্যতম কারণ। বাতাসের গতি কম থাকলে দূষিত কণা সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে না। দিল্লির বায়ুমান আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি সেকেন্ডে ৬ হাজার বর্গমিটারের কম বায়ু চলাচল সূচক এবং ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটারের কম গড় বাতাসের গতি দূষিত পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার জন্য প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করে।

রবিবার দিল্লির বাতাসে প্রধান দূষক ছিল অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা পিএম ২.৫। আতশবাজি পোড়ানোর ফলে বাতাসে এসব কণার পরিমাণ আরও বাড়ছে। পিএম ২.৫ এতটাই ক্ষুদ্র যে তা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি নিয়ে করা সিদ্ধান্ত সহায়তা ব্যবস্থার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রবিবার রাজধানীর বায়ুদূষণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখবে পরিবহণ খাত। মোট দূষণের ১৯ শতাংশ আসতে পারে যানবাহন থেকে। অন্যদিকে, ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর কারণে এদিন দিল্লির দূষণে ৩.৫ শতাংশ অবদান থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার এই অবদান প্রায় ২.৯৯ শতাংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।