Dhruvastra Missile: পরিকল্পনা ছিল এপিজে আবদুল কালামের, সেই ধ্রুবাস্ত্র মিসাইল পেতে চলেছে ভারতীয় সেনা

Dhruvastra Missile: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বহরে যোগ হতে চলেছে ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র। এই ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিআরডিও তৈরি করেছে। এটি হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপ করা যাবে। নাগ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (এটিজিএম) একটি আধুনিক সংস্করণ এই ধ্রুবাস্ত্র।

Published on: Apr 12, 2026 1:44 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বহরে যোগ হতে চলেছে ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র। এই ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিআরডিও তৈরি করেছে। এটি হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপ করা যাবে। নাগ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (এটিজিএম) একটি আধুনিক সংস্করণ এই ধ্রুবাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে বেশ কার্যকরী হবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে উত্তর ভারতের কাশ্মীর এবং লাদাখে সীমান্তকে আরও বেশি সুরক্ষিত রাখতে পারবে ভারতীয় বায়ুসেনা এবং সেনাবাহিনী।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বহরে যোগ হতে চলেছে ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর বহরে যোগ হতে চলেছে ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র।

ধ্রুবাস্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী? ধ্রুবাস্ত্র ভারতের সুসংহত গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অঙ্গ। ১৯৮০-র দশকে ডঃ এপিজে আবদুল কালাম এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরিকল্পনা করেছিলেন। এই মিসাইলটি নাগ ক্ষেপণাস্ত্র পরিবারের অঙ্গ। নাগ ক্ষেপণাস্ত্রের বেশ কয়েকটি সংস্করণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি সংস্করণ ভূমি থেকে ছোড়া যায়, একটি ছোড়া যায় রকেট লঞ্চার থেকেই। আর ধ্রুবাস্ত্র এই সিরিজের এরিয়াল সংস্করণ। ধ্রুবস্ত্রের সবচাইতে বড় শক্তি হল এর তৃতীয় প্রজন্মের 'ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট সিস্টেম'। একবার লক্ষ্যবস্তুতে এই মিসাইলটি লক হয়ে গেলে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটিকে ট্র্যাক করেবে এবং ধ্বংস করবে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি খারাপ আবহাওয়া এবং রাতের অন্ধকারেও সাঁজোয়া যান কিংবা ট্যাঙ্কের তাপ সনাক্ত করতে পারে এবং তাদের নির্ভুলভাবে সেটিকে নিশানা করতে পারে। এই আবহে লঞ্চের পরে ধ্রুবাস্ত্র প্রথমে একটি উচ্চতায় পৌঁছে যায় এবং তারপরে সেখান থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর সরাসরি আক্রমণ করে। এই মিসাইলের পরিসীমা ৭ কিলোমিটার পর্যন্ত। ধ্রাবস্ত্রের এক একটির ওজন ৪৩ কেজি। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৮০০ মিলিমিটার পুরু ইস্পাত প্লেট ভেদ করার ক্ষমতা রাখে।

লাদাখের মতো উঁচু এলাকার জন্য সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিকপ্টারের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে ধ্রুবাস্ত্র। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (হ্যাল) তৈরি রুদ্র ও প্রচণ্ডের মতো অ্যাটাক হেলিকপ্টার থেকে ধ্রুবাস্ত্র নিক্ষেপ করা যেতে পারে। সম্প্রতি, সরকার ১৫৬টি প্রচণ্ড হেলিকপ্টারের জন্য অর্ডার দিয়েছে হ্যালের কাছে। এদিকে সরকার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০টিরও বেশি ধ্রুবাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার অনুমোদন দিয়েছিল। একটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ১ কোটি টাকারও কম বলে অনুমান করা হচ্ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More