স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে 'বন্দে মাতরম' থামাতে অস্থির সনিয়া গান্ধী? কী সাফাই কংগ্রেসের?

Vande Mataram Song at Congress Office: কংগ্রেস অবশ্য ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণ গাওয়া বন্ধ করার কোনও প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, সনিয়া গান্ধী কেবল মল্লিকার্জুন খাড়গের জন্য একটি চেয়ার চেয়েছিলেন।

Published on: Aug 15, 2026, 18:06:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Vande Mataram Song at Congress Office: শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতর ইন্দিরা ভবনে স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) সম্পূর্ণ গাওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) ও রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এমনকী, গান থামানোর চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে 'বন্দে মাতরম' থামাতে অস্থির সনিয়া গান্ধী? কী সাফাই কংগ্রেসের? (Neeraj)
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে 'বন্দে মাতরম' থামাতে অস্থির সনিয়া গান্ধী? কী সাফাই কংগ্রেসের? (Neeraj)

এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা)। সেখানে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি চলার সময় সনিয়া গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ইশারা করতে দেখা যায়। কেউ কেউ এই ইশারাগুলোকে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি মাঝপথে থামানো বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। এমনকী গানের এক অংশে দেখা যায় রাহুল গান্ধীও অস্থির হয়ে পড়েছেন। তবে, অঙ্গভঙ্গি সত্ত্বেও গানটি চলতে থাকে এবং সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হয়। এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক প্রশ্ন উঠেছে। সনিয়া গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়গে কী সত্যিই ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন? নাকি ভিডিওটির ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে?

কংগ্রেস অবশ্য ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণ গাওয়া বন্ধ করার কোনও প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, সনিয়া গান্ধী কেবল খাড়গের জন্য একটি চেয়ার চেয়েছিলেন। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেন, ‘১৯৩৭ সালের ২৮ অক্টোবর কলকাতায় মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, জওহরলাল নেহরু, গোবিন্দ বল্লভ পন্ত এবং সি রাজাগোপালাচারীর উপস্থিতিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, কংগ্রেসের অধিবেশনগুলোতে ‘বন্দেমাতরম’-এর শুরুর স্তবকগুলোই গাওয়া হবে।’ তিনি জানান, রবীন্দ্রনাথ নেহরু ও বসুকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে ‘বন্দেমাতরম’-এর প্রথম কয়েকটি অনুচ্ছেদই যেন ব্যবহার করা হয়। রমেশ বলেন, ‘সেই সময় থেকেই প্রতিটি অধিবেশনে আমরা ওই পঙ্‌ক্তিগুলো গেয়ে আসছি ৷ আমাদের সেবা দল ও কর্মীরাও তা গান৷ এই নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই।’