India Bangladesh: তারেকের ভারত সফর নিয়ে জল্পনার মাঝে বাংলাদেশে মন্ত্রীর সঙ্গে তাবড় বৈঠকে দীনেশ,বললেন, ‘অতীত..’
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমরা দুই দেশ একটা স্বপ্ন শেয়ার করি, বর্ডার তো শেয়ার করিই…. প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়।’
ভারতে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে ঢাকা। এদিকে, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরবের সন্ধিতে তৈরি প্রতিরক্ষা চুক্তি মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশ যোগ দিতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্যাক্টকে নিয়ে মুখ খুলে কার্যত অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে ঢাকা। এই প্রেক্ষাপটে এদিন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মইন খানের সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠক শেষে দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বার্তা দেন।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন বলছে, সেদেশের ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের হাইকমিশনার তাঁদের দেশের স্থানীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।’ এদিকে, আজ বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপির স্থাপনা দিবস উপলক্ষ্যে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুভেচ্ছা বার্তা জানান, সেদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই দলকে। দীনেশ ত্রিবেদী জানান আজকের এই সাক্ষাৎ সৌজন্যমূলক এক বৈঠক ছিল। এরপরই দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন দীনেশ ত্রিবেদী। এককালে ভারতের রাজনীতির আঙিনায় থাকা দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশই চায় ‘সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক।… আপনাদেরও যে প্রতিনিধি ভারতে রয়েছেন, তিনিও একটাই জিনিস চান, যে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক।… কারণ শেষপর্যন্ত কী হয় যে, আমরা যা সিদ্ধান্ত নিই, তার প্রভাব তো পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছু ভালো হয়, সেটা.. আমাদের দায়িত্ব।’ কার্যত এই ইঙ্গিতবহ বার্তা দিয়েই দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, তারেক রহমান ভারতের সফরে আসবেন কি না, বা মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশ হাত মেলাবে কি না, তা নিয়ে ঢাকার ‘সিদ্ধান্ত’ কোনদিকে যায়, সেদিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল। এদিকে, আজ দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমরা দুই দেশ একটা স্বপ্ন শেয়ার করি, বর্ডার তো শেয়ার করিই…. প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়, আর প্রতিবেশী হিসাবে কেউ বড় নয়, কেউ ছোট নয়। আমরা সমান।’
এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন,‘ অতীত আমরা ভুলতে পারিনা, তবে (সেখানে) আটকে যাওয়ারও তো কোনও জায়গা নেই। আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না।’ তিনি জানান, দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিনের বৈঠকে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


