Doctor murdered: ঘরে রক্তাক্ত স্বামীর দেহ! গুরুতর জখম সন্তান, পাশে বসে মোবাইল স্ক্রল করতে ব্যস্ত স্ত্রী
Doctor murdered: পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকে কিরণের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা। কখনও তিনি বলেন, কিরণ বিশ্রাম নিচ্ছেন। পরে জানান, তিনি নাকি কাজে বেরিয়েছেন। এই নিয়ে আত্মীয়দের মধ্যে সন্দেহ জাগে।
Doctor murdered: ফ্ল্যাটে স্বামী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। পাশের ঘরে ছটফট করছে আট বছরের ছেলে। আর সেই সময় বিছানায় শুয়ে নির্বিকার ভাবে মোবাইল স্ক্রল করছিলেন স্ত্রী। প্রতিবেশীরা ফ্ল্যাটে ঢুকে এমনই ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের তির চিকিৎসক স্ত্রীর দিকেই। ইতিমধ্যে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
ঘরে রক্তাক্ত স্বামীর দেহ! গুরুতর জখম সন্তান, পাশে বসে মোবাইল স্ক্রল করতে ব্যস্ত স্ত্রী (সৌজন্যে টুইটার)
বুধবার এই ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের ধারওয়াড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত ওই চিকিৎসকের নাম কিরণ হন্নানাভার (৪৫)। ধারওয়াড়ের ওই চিকিৎসক চিরায়ু হাসপাতালের একজন অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ধারওয়াড়ের একটি বহুতলের সাত তলার ঘর থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। হামলার শিকার হয় তাঁদের আট বছরের ছেলেও। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকে কিরণের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা। কখনও তিনি বলেন, কিরণ বিশ্রাম নিচ্ছেন। পরে জানান, তিনি নাকি কাজে বেরিয়েছেন। এই নিয়ে আত্মীয়দের মধ্যে সন্দেহ জাগে। পরে দীর্ঘ সময় কোনও সাড়া না মেলায় বুধবার সন্ধ্যায় ফ্ল্যাটে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা। দরজা খুলতেই সামনে আসে রক্তাক্ত দৃশ্য। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গোটা ফ্ল্যাটে রক্তের দাগ দেখতে পান তদন্তকারীরা। এক ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন কিরণ। অন্য ঘরে জখম অবস্থায় পড়েছিল তাঁদের ছেলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ কমিশনার এন শশীকুমার দেখেন, শিশুটি তখনও জীবিত। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন শুধু স্বামী, স্ত্রী এবং তাঁদের ছেলে। বাইরে থেকে কেউ ঢুকেছিল, এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। কী কারণে এই ঘটনা, কখন হামলা হয়েছে, তার আগে বা পরে কার সঙ্গে কথা বলেছেন অভিযুক্ত, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত কিরণের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাও একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। এই ঘটনায় খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। তবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত প্রিয়াঙ্কা জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন কথা বলছেন বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা। পুলিশ জানিয়েছে, এই নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর পিছনে কোন রহস্য আছে তা জানতে আরও তথ্য সংগ্রহ করছেন তাঁরা।
Home/News/Doctor Murdered: ঘরে রক্তাক্ত স্বামীর দেহ! গুরুতর জখম সন্তান, পাশে বসে মোবাইল স্ক্রল করতে ব্যস্ত স্ত্রী