Donald Trump Leaves Interview: 'ধন্যবাদ ডার্লিং', ১৪ বছর আগের মমতার মতো ট্রাম্পও ইন্টারভিউ ছেড়ে চলে গেলেন
আলোচনার সময় ২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন দাবিকে ঘিরে প্রশ্ন তোলেন ওয়াকার। তিনি ট্রাম্পের কাছে অভিযোগগুলির পক্ষে প্রমাণ চাইলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক উত্তপ্ত টেলিভিশন সাক্ষাৎকার চলাকালীন আচমকাই সেট ছেড়ে বেরিয়ে যান। এনবিসি-র জনপ্রিয় অনুষ্ঠান Meet the Press-এ সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়াকারের সঙ্গে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ট্রাম্প সাক্ষাৎকার শেষ করে উঠে যান। রিপোর্ট অনুযায়ী, আলোচনার সময় ২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন দাবিকে ঘিরে প্রশ্ন তোলেন ওয়াকার। তিনি ট্রাম্পের কাছে অভিযোগগুলির পক্ষে প্রমাণ চাইলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন এবং এনবিসি-সহ একাধিক সংবাদমাধ্যমকে ‘ক্রুকড’ বা পক্ষপাতদুষ্ট বলে আক্রমণ করেন।

তর্কের এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, 'Let's call it quits because I've had enough. Thank you, darling.' এরপর তিনি নিজের মাইক্রোফোন খুলে সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই চলে যান। ওয়াকার তাঁকে সাক্ষাৎকার চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করলেও ট্রাম্প আর রাজি হননি। কঠিন প্রশ্নের মুখে সাক্ষাৎকার মাঝপথে ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনা রাজনীতিতে বিরল নয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ২০১২ সালে সাগরিকা ঘোষের একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। যদিও দুই ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা, তবে ট্রাম্পের এই কাণ্ড ভারতীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে করিয়ে দিয়েছে মমতার সেই 'তেজ'।
এদিকে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই আমেরিকার রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমর্থকদের একাংশের দাবি, তিনি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশ্নের প্রতিবাদ করেছেন। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, কঠিন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই সাক্ষাৎকার ছেড়ে চলে গিয়েছেন তিনি। একসময় এমনই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সাগরিকা ঘোষকে দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই বহুচর্চিত সাক্ষাৎকারকে ঘিরেও। তখন দর্শকদের মাঝে থাকা প্রশ্নকর্তাকে 'মাওবাদী' আখ্যা দিয়েছিলেন মমতা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


