Trump on India after Hell hole Row: দিল্লি মুখ খুলতেই ‘নরককুণ্ড’ বিতর্কে এবার ট্রাম্প বলছেন,‘মহান ভারত..’

Trump on Hell Hole: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তরফে ভারতকে ‘নরককুণ্ড’ বলে যে মন্তব্য এসেছে, তা নিয়ে তীব্র বর্ণবিদ্বেষের বিতর্কও উঠছে। এমন এক পরিস্থিতিতে দিল্লি কার্যত নিজের কৌশলী বার্তায় অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।

Published on: Apr 23, 2026, 20:16:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মার্কিন রেডিয়ো উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি চিঠি সদ্য ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই রিপোস্ট ঘিরেই যাবতীয় বিতর্ক। সেখানে ভারত ও চিনকে ‘নরককুণ্ড’ বলে মন্তব্য করা রয়েছে। এরপরই ভারত মুখ খোলে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল কৌশলী এক বার্তায় জানান,' আমরা এই সংক্রান্ত কিছু প্রতিবেদন দেখেছি। সেখানেই আমি এই বিষয়টিকে ছেড়ে দিচ্ছি।' এরপর এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য।

দিল্লি মুখ খুলতেই ‘নরককুণ্ড’ মন্তব্যে এবার ট্রাম্পের অন্য সুর!বলছেন,‘মহান ভারত’। Photographer: Aaron Schwartz/CNP/Bloomberg
দিল্লি মুখ খুলতেই ‘নরককুণ্ড’ মন্তব্যে এবার ট্রাম্পের অন্য সুর!বলছেন,‘মহান ভারত’। Photographer: Aaron Schwartz/CNP/Bloomberg

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তরফে রিপোস্ট করা এক চিঠিতে ভারতকে ‘নরককুণ্ড’ বলে যে মন্তব্য এসেছে, তা নিয়ে তীব্র বর্ণবিদ্বেষের বিতর্কও উঠছে। এমন এক পরিস্থিতিতে দিল্লি কার্যত নিজের কৌশলী বার্তায় অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লি মুখ খোলার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন,' ভারত একটি মহান দেশ, যার শীর্ষস্থানে আমার একজন খুব ভালো বন্ধু রয়েছেন।'

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে করা তাঁর বর্ণবাদী বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যে স্যাভেজ অভিযোগ করেন যে, এশিয়ার দুটি দেশের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসে ‘নবম মাসে একটি শিশুর জন্ম দিতে’, এবং এই আইন তাদেরকে ‘তাৎক্ষণিক’ মার্কিন নাগরিক করে তোলে। ট্রাম্পের পোস্ট করা চিঠিতে লেখা, 'ভারতীয় এবং চিনা অভিবাসীরা আমেরিকার যা ক্ষতি করেছে, তা সব মাফিয়া পরিবার মিলেও করেনি।' জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে জন্ম-পর্যটন ঘিরেও মন্তব্য এসেছে। চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘আমার বিনীত মতে, এরা ল্যাপটপ হাতে গুন্ডা। ওরা আমাদের সর্বস্ব লুটে নিয়েছে, আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের মতো ব্যবহার করেছে, জঘন্য দুনিয়াকে জিততে দিয়েছে, আমাদের পতাকার ওপর পা মাড়িয়েছে, ইত্যাদি।’ এখানে তিনি ভারতীয় তথা চিনাদের ‘ল্যাপটপ হাতে গুণ্ডা’ বলে অভিহিত করেন।

স্যাভেজ বলেছেন যে তিনি একসময় "ভারতে ভারতীয়দের একজন কট্টর সমর্থক" ছিলেন, কিন্তু সেই ধারণা বদলে যায় যখন তিনি বুঝতে পারেন যে ক্যালিফোর্নিয়ার কোনো হাই-টেক কোম্পানিতে "শ্বেতাঙ্গদের" চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা 'শূন্য'।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More