Trump takes Gyanesh Kumar's Name: ট্রাম্পের মুখে ভারতের CEC জ্ঞানেশ কুমারের নাম! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ একটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভারতের গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ ফটো পরিচয়পত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, আমেরিকাতেও একই ধরনের নিয়ম চালু করা প্রয়োজন।
Trump takes Gyanesh Kumar's Name: ফের আমেরিকায় ভোটারদের জন্য বাধ্যতামূলক ফটো আইডির দাবি তুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার নিজের বক্তব্যের পক্ষে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলেন ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে। বিশেষ করে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নাম উল্লেখ করলেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ একটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভারতের গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ ফটো পরিচয়পত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, আমেরিকাতেও একই ধরনের নিয়ম চালু করা প্রয়োজন।
ট্রাম্প বলেন, আমেরিকায় ভোট দিতে গেলে বৈধ ফটো আইডি থাকা বাধ্যতামূলক করা উচিত। এই লক্ষ্যেই তিনি কংগ্রেসকে SAVE America Act পাস করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে কারচুপি ঠেকাতে এবং ভোট ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক এক বৈঠকও। প্রায় এক সপ্তাহ আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের বৈঠক হয়। সেখানে দুই পক্ষ নির্বাচন পরিচালনা এবং নির্বাচনী কর্মীদের প্রশিক্ষণে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়। মঙ্গলবার সার্জিও গোরও ট্রাম্পের বক্তব্যকে সমর্থন করেন। এক্স-এ এই নিয়ে তিনিও পোস্ট করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের আইন প্রণয়নের কর্মসূচিতে এই বিলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে ভোটার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করার সময় নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে। ভোট দেওয়ার সময়ও ফটো পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক হবে। চলতি বছরের শুরুতে বিলটি মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে পাস হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এটি সেনেটে অনুমোদন পায়নি। ফলে আইনটি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
তবে আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। এই আইনের সমর্থকদের বক্তব্য, ভোটারদের পরিচয় যাচাই করলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা বাড়বে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক কয়েকটি নির্বাচন ঘিরে বিতর্কের পর এই দাবি আরও জোরালো হয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীদের বক্তব্য, মার্কিন আইনে অ-মার্কিন নাগরিকদের ভোট দেওয়া এমনিতেই নিষিদ্ধ। তাই নতুন করে এত কঠোর নিয়মের প্রয়োজন নেই। এছাড়া আরও বড় সমস্যা হল, বহু মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় নথি নেই।
বাইপার্টিজান পলিসি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার প্রায় ১২ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটারের কাছে জন্মের শংসাপত্র বা বৈধ পাসপোর্টের মতো সাধারণ নথি নেই। ফলে নতুন নিয়ম চালু হলে অনেক যোগ্য ভোটারই সমস্যায় পড়তে পারেন। কেন্দ্রটির আরও দাবি, নথি যাচাই করতে নির্বাচন আধিকারিকদের অতিরিক্ত সময় ও সম্পদ প্রয়োজন হবে। কানসাসে কঠোর ভোটার আইডি নিয়ম চালুর পর প্রায় ৩১ হাজার যোগ্য মার্কিন নাগরিক ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। এই পরিস্থিতিতে ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সামনে রেখে ট্রাম্পের নতুন বার্তা আমেরিকার ভোটার আইন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিল।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


