Durga puja 2026:টেক্সাসের বুকে উমা বরণের পালা! Rhythm DFWর পুজোয় এবার তাদের নাট্যচর্চা পা রাখছে ১০ম বর্ষে

শহর কলকাতায় যখন ষষ্ঠীর বোধনের কাউন্টডাউন শুরু, তখন সূদুর টেক্সাসের বুকেও চলছে দেবীদুর্গাকে বরণের পালা! পুজো ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে Rhythm DFW।

Published on: Oct 13, 2026, 23:31:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

শরৎ মানেই, ট্রেনের ভিতর থেকে, খোলা জানলা দিয়ে চোখে পড়ে যাওয়া কাশের বন! কোথাওবা কোঁচরভর্তি শিউলি কিম্বা ছাতিমের ঘ্রাণের ভেসে আসা.. এই সবই জানান দিয়ে যায় মা আসছেন! আজ তৃতীয়া। ষষ্ঠীর বোধনে আর বেশি দেরি নেই। ইতিমধ্যেই, বাংলার শহর থেকে শহরতলীতে দেবী বরণের প্রস্তুতি ঘিরে সাজো সাজো রব! উমাকে বরণ করে নিতে অপেক্ষার কাউন্টডাউনের সূর্য কার্যত মধ্যগগনে! শহর কলকাতায় বহু মণ্ডপে সন্ধ্যা নামতেই ভক্তদের ঢল, পুজোর উৎসবের ঢাকে কার্যত পড়ে গিয়েছে কাঠি! এই শহর কলকাতা থেকে ক্রোশ দূরে টেক্সাস। সেখানেও বাঙালিরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন দেবীবরণের জন্য। আসছে বাঙালির প্রাণের পুজো দুর্গাপুজো। আর সেই দুর্গাপুজো ঘিরে প্রস্তুতিতে টেক্সাসের Rhythm DFW Cultural Association !

টেক্সাসের বুকে উমা বরণের পালা! Rhythm DFWর পুজোয় এবার তাদের নাট্যচর্চার ১০এ পা
টেক্সাসের বুকে উমা বরণের পালা! Rhythm DFWর পুজোয় এবার তাদের নাট্যচর্চার ১০এ পা

২০০৩ সালে গঠিত গ্রেটার ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থের পরিচিত বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন Rhythm DFW Cultural Association আয়োজন করতে চলেছে তাদের বার্ষিক শারদোৎসব। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবারের মতো এবারেও সকলকে সাদরে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে দুর্গাপুজো ঘিরে।

বিগত ২৩ বছর ধরে উত্তর টেক্সাসে প্রবাসী বাঙালিদের মেলবন্ধন তৈরি এবং সংস্কৃতিকে ধরে রেখে এই সংগঠন আরও এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে! টেক্সাসের Rhythm DFW র পুজো ঘিরে যেমন সাজো সাজো রব, তেমনই পুজোর সঙ্গে সংস্কৃতি-মনা এই সংগঠনের নাট্যচর্চা, ২০২৬ সালে ১০ বছর পার করছে।এই বিশেষ মাইলফলক উদযাপনে এবছর তাদের নাট্যদল ‘সোনার তরী' র দশম নিবেদন। পেশায় কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ার শিমুল সাহা জানান, ‘এবছর দেবী চৌধুরানী উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে তাদের ১০ম বর্ষের বিশেষ নাটক 'উত্তরণ' মঞ্চস্থ করছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দমনমূলক কর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সশস্ত্র কৃষক প্রতিরোধের এক তেজস্বিনী প্রতীক ছিলেন দেবী চৌধুরাণী। ভবানী পাঠকের পাশাপাশি সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সময় লড়াই করা এই ঐতিহাসিক বিপ্লবীর বীরত্বপূর্ণ জীবন ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করেই রচিত এই কালজয়ী গল্প এবার নাটকের রূপে মঞ্চে ফুটে উঠবে ।' নাটকের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দায়িত্বে থাকা শৈবাল গুহ বলেন,‘প্রথম বছরের অসামান্য সাফল্যের পর আর থেমে থাকতে হয়নি; প্রতি বছরই সোনার তরী বিভিন্ন বিখ্যাত নাটক উপহার দিয়ে এসেছে।' তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে ডালাসে অভিবাসী বাঙালিদের ,এই রিদম সংগঠনের আন্তরিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে আকৃষ্ট হয়েই দুর্গাপূজায় আমাদের নাটক মঞ্চস্থ করার পথচলা শুরু।'

সংগঠনের সভাপতি পেশায় ম্যানেজার দিলীপ সাহা বলেন, ‘আমাদের ১৩তম বছরের পুজোটা কেবল একটি আয়োজন নয়, এটা আমাদের ভালোবাসা এবং একতার গল্প। প্রবাসে এসেও যে ১০ বছর ধরে আমরা মঞ্চে নাটক ফুটিয়ে তুলতে পারছি, এটা ভাবলেই মনটা ভালো লাগায় ভরে ওঠে। আমাদের সব সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক আর সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষদের অক্লান্ত পরিশ্রম ছাড়া এটা কখনোই সম্ভব হতো না।'

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More