Greater Noida: গ্রেটার নয়ডায় শিশু ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডে এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্ত সিরিয়াল কিলার? এল বিস্ফোরক তথ্য

Greater Noida encounter: ডিসিপি শৈলেন্দ্র কুমার সিং জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে গুরুতর আহত হয়েছিল বলরাজ। পরবর্তীতে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Published on: Aug 30, 2026, 12:35:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Greater Noida encounter: উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় ‘এনকাউন্টার।’ ৬ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই হয়। আর সেই সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অভিযুক্তের। আর এই ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে (সৌজন্যে টুইটার)
পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেটার নয়ডার হলদৌনি গ্রামের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় এনকাউন্টারে নিহত বলরাজ ওরফে বল্লা আসলে ছিল এক বিকৃত মানসিকতার সিরিয়াল কিলার। এর আগেও বহু শিশু ও নাবালকের ওপর যৌন নির্যাতন ও খুনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শনিবার হলদৌনি গ্রাম থেকে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের পরই পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে (এনকাউন্টার) নিহত হয় বলরাজ। ইকোটেক ৩ কোতোয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শিশুর বাবা-মায়ের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। নিহত শিশুকন্যাটি ছিল পরিবারের সবচেয়ে ছোট এবং সে স্থানীয় একটি সরকারি স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। শুক্রবার তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় বলরাজ। এরপর শিশুটিকে নির্যাতন করে তাকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে বলরাজের বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে, শিশুটি দীর্ঘক্ষণ বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোনও সন্ধান না পেয়ে তাঁরা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেন। সেখানে দেখা যায়, শিশুটিকে হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে বলরাজ। এরপর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। প্রথমে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বলরাজ ঘটনার কথা অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও পরে নিজের অপরাধ কবুল করে। তার দেখানো জায়গা থেকেই একটি নির্জন খেত থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে, দেহ উদ্ধারের খবর চাউর হতেই উত্তেজিত গ্রামবাসী ও মৃত শিশুর পরিবারের সদ্যসরা পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশ প্রশাসনের তরফে কঠোরতম ব্যবস্থার আশ্বাস পাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। জানা গেছে, অভিযুক্ত বলরাজ পেশায় দিনমজুর এবং সে নিহত শিশুটির কাকার বাড়িতে ভাড়া থাকত।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বলরাজ কোনও সাধারণ অপরাধী নয়, সে ছিল বিকৃত মানসিকতার ব্যক্তি। স্থানীয়রা জানান, মানুষ তো বটেই, এমনকী অবলা পশুদের ওপরও যৌন নির্যাতন করত সে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বলরাজ বহু বছর ধরে এই ধরনের অপরাধ ঘটিয়ে আসছিল। এর আগে গাজিয়াবাদের লোনিতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে সে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল এবং জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিল। এছাড়াও সুরজপুর থানা এলাকাতেও এক বালককে যৌন নির্যাতনের পর নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও খুনের একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। ডিসিপি শৈলেন্দ্র কুমার সিং জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে গুরুতর আহত হয়েছিল বলরাজ। পরবর্তীতে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার আগের সমস্ত অপরাধের রেকর্ড এবং অন্যান্য মামলার ইতিহাস বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।