F15 Fighter Jet Destroyed: ইরানের মারে ট্রাম্পের কান লাল! কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন F15 যুদ্ধবিমান

কুয়েতে একটি এফ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েতে। সেই যুদ্ধবিমানের থেকে অবশ্য পাইলট নিরাপদে বের হতে পেরেছে। এদিকে যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

Published on: Mar 02, 2026 12:37 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এর আগে ভারত-পাক সংঘাতের সময় একেক সময় একেক দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কখনও তিনি দাবি করেছিলেন, ৬টা যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে, কখনও ১০টা। আর এবার তাঁর দেশে তৈরি যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ল। সেই যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েতে। সেই যুদ্ধবিমানের থেকে অবশ্য পাইলট নিরাপদে বের হতে পেরেছে। এদিকে যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কুয়েতে একটি এফ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান।
কুয়েতে একটি এফ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান।

এদিকে অন্য কিছু রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরান নয়, বরং মিত্রপক্ষের বিমানের ভুলবশত করা গুলিতেই ভেঙে পড়েছে এফ১৫ যুদ্ধবিমানটি। এদিকে ভেঙে পড়া যুদ্ধবিমানটি আমেরিকার নাকি ইজরায়েলের তা স্পষ্ট হয়নি এখনও। তবে কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। এই আবহে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভেঙে পড়া যুদ্ধবিমানটি হয়ত আমেরিকারই। বিমানে দুজন পাইলট ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। উভয় পাইলটই নিরাপদে ইজেক্ট করেন। এদিকে কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস থেকেও ধোঁয়া উড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে।

উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ জুড়ে ইরান হামলা চালিয়েছে। বাহারিন থেকে শুরু করে দুবাই, সৌদি, কাতার, কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে আছড়ে পড়েছে ইরানি মিসাইল। এই আবহে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি হামলায় আমেরিকার তিনজন সৈনিক নিহত হয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, যে তিনজন মার্কিন সেনা সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে, তাঁরা কুয়েতে মোতায়েন ছিলেন। এদিকে সেই ঘটনায় আরও মার্কিন সেনা সদস্য জখম হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে আমেরিকার তরফ থেকে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা বি২ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ৯টি রণতরী তারা ধ্বংস করেছে বলে জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে। এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইআরজিসি'র সদর দফতর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কাছে এখন কোনও সদরদফতর নেই। এর আগে ১ মার্চই বিপ্লবী গার্ডের নয়া প্রধানকে নিযোগ দিয়েছিল ইরান। কারণ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় আইআরজিসি প্রধান মারা গিয়েছিলেন। এদিকে ইজরায়েল নতুন করে তেহরানে হামলা শুরু করেছে।